রাতদিন ওয়েবডেস্ক : জমি বিবাদ মিটিয়ে শান্তিনিকেতন থেকে লন্ডনের পথে অমর্ত্য সেন। বেশ কিছুদিন ধরে চলা শান্তিনিকেতনে থাকা অমর্ত্য সেনের জমি বিবাদ নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। মুখ্যমন্ত্রী শান্তিনিকেতন সফরে গিয়ে সেই জমি বিবাদ মেটানোর অনেকখানি প্রচেষ্টা করেছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নোবেল (Noble)জয়ী অমর্ত্য সেনের (Amarta Sen) হাতে তার বাড়ির জায়গার একখানি কাগজ তুলে দিয়ে আসেন। সেটিই হয়তো অমর্ত্য সেনের জমি বিবাদের সুরাহা পত্র ছিল।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, জমি নিয়ে বেশ কয়েকবার শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর সাথে বিবাদের মুখে পড়তে হয়েছিল নোবেলজয়ীকে। বৃহস্পতিবার লন্ডন যাওয়ার পথে তিনি বললেন জমি বিবাদ মিটিয়ে শান্তিনিকেতন থেকে লন্ডনের ফিরছি।শান্তিনিকেতনের বাড়ি 'প্রতীচী' থেকে বেরনোর সময় জমিজট নিয়ে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েন অমর্ত্য সেন। জমিজট নিয়ে কি তিনি ব্যথিত, এমন প্রশ্ন করা হয় তাঁকে।
আরও পড়ুন ঃ স্ট্যান্ডিং কমিটির নির্বাচনকে ঘিরে উত্তপ্ত দিল্লি পুরনিগম, হেনস্তা মহিলা
নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদের দাবি, "মনে ব্যথার অবকাশ কই?" নাম না করে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে তিনি বলেন, "জমি নিয়ে কোনও প্রশ্ন থাকলে উপাচার্যকে করুন। ওরা যে হেনস্তা করেছে সেটা বোঝার বিষয়েও জ্ঞানহীন।"জমিজট সংক্রান্ত মীমাংসা হয়ে গিয়েছে বলেও জানান অমর্ত্য সেন। তিনি বলেন, "কেন অমীমাংসিত থাকবে? জমি আমার বাবার নামে ছিল। এখন জমি আমার নামে হওয়া উচিত। এটায় না করার কোনও কারণ ছিল না। আমার বাবার উউলে লেখা যে, ওঁর জীবন যখন শেষ হবে, জমি আমার মায়ের হবে। আর মায়ের পর আমি। এখানে তর্কের কিছু নেই।" উল্লেখ্য, বিশ্বভারতীর তরফে জমি নিয়ে আপত্তি জানিয়ে তিন-তিনবার নোটিস পাঠানো হয় অমর্ত্য সেনকে। এসব বিতর্কের মাঝে গত ১১ তারিখ বোলপুর বিএলআরও (BLRO) অফিসে যান অমর্ত্য সেনের প্রতিনিধি। নোবেলজয়ী নিজের নামে জমি মিউটেশন করাতে চান বলে আবেদন জানান

