Type Here to Get Search Results !

Yuva Sathi Status : আবেদন কি গৃহীত হয়েছে? যুবসাথী প্রকল্পের স্ট্যাটাস দেখার সহজ পদ্ধতি

রাতদিন ওয়েবডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনকল্যাণমুখী প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় উদ্যোগ হলো যুবসাথী প্রকল্প, যা রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে এবং বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের দিশা দেখাতে চালু করা হয়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার জন্য দুয়ারে সরকার ক্যাম্প থেকে শুরু করে অনলাইন পোর্টাল সব ক্ষেত্রেই অভাবনীয় সাড়া মিলেছে এবং লক্ষ লক্ষ আবেদনকারী তাঁদের নাম নথিবদ্ধ করেছেন। তবে আবেদন করার পর অনেক চাকরিপ্রার্থী ও পড়ুয়ার মনেই একটি সাধারণ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে যে, তাঁদের আবেদনটি সঠিক পদ্ধতিতে গৃহীত হয়েছে কি না বা বর্তমান স্থিতিতে আবেদনটি কোন পর্যায়ে রয়েছে। 

সাধারণ মানুষের এই বিভ্রান্তি দূর করতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাজ্য সরকার এখন বাড়িতে বসেই নিজের মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে আবেদনের স্থিতি বা স্ট্যাটাস পরীক্ষা করার সহজ সুযোগ করে দিয়েছে। যুবসাথী প্রকল্পের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (https://apas.wb.gov.in/) ব্যবহার করে যে কেউ অতি দ্রুত তাঁর আবেদনের অবস্থা যাচাই করে নিতে পারেন। এই প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে আবেদনকারীকে নিজের স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকে নির্দিষ্ট পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে এবং হোমপেজে থাকা চেক স্ট্যাটাস বিকল্পটি খুঁজে বের করে সেখানে ক্লিক করতে হবে। এরপর একটি নতুন ইন্টারফেস খুলে যাবে যেখানে আবেদন করার সময় ব্যবহৃত বৈধ মোবাইল নম্বরটি নির্দিষ্ট বক্সে টাইপ করতে হবে এবং স্ক্রিনে প্রদর্শিত ক্যাপচা কোডটি নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। তথ্যগুলি সঠিক হলে গেট ওটিপি  বোতামে ক্লিক করার সাথে সাথেই আবেদনকারীর রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে একটি ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড বা ওটিপি চলে আসবে। সেই ওটিপি-টি নির্দিষ্ট স্থানে বসিয়ে ভেরিফাই পিন করলেই স্ক্রিনে আবেদনের ফলাফল ফুটে উঠবে। যদি আবেদনটি সফলভাবে সিস্টেমে নথিভুক্ত হয়ে থাকে, তবে সেখানে অ্যাপ্লিকেশন নম্বর বা রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি দেখা যাবে এবং প্রয়োজনে অ্যাপলিক্যাশন ফ্রম অপশন থেকে আগের জমা দেওয়া ফর্মটি পুনরায় ডাউনলোড বা প্রিন্ট করার সুযোগও থাকছে। 

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে, আবেদনকারীরা অফলাইন ক্যাম্পে ফর্ম জমা দিলেও অনলাইনে তাঁদের স্ট্যাটাস খুঁজে পাচ্ছেন না সেক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, যতক্ষণ না অফলাইন ফর্মটি সার্ভারে আপলোড হচ্ছে, ততক্ষণ আবেদনকারী চাইলে পুনরায় অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। পরবর্তীকালে যদি অফলাইন ফর্মটি প্রসেস করা হয়, তবে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে আধার নম্বর বা ফোন নম্বরের ভিত্তিতে সেটিকে ডুপ্লিকেট হিসেবে শনাক্ত করে বাতিল করে দেবে এবং অনলাইন আবেদনটিই বৈধ হিসেবে গণ্য হবে। তবে একটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন যে, বর্তমানে এই পোর্টালে শুধুমাত্র রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে কি না তা-ই দেখা যাচ্ছে আবেদনটি ভেরিফিকেশন বা যাচাইকরণ পর্বের কোন পর্যায়ে রয়েছে কিংবা তা চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়েছে কি না, সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আপডেট হতে আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে। রাজ্য সরকারের এই ডিজিটাল পদক্ষেপের ফলে সাধারণ মানুষকে এখন আর ব্লক অফিস বা সরকারি দপ্তরে বারবার দৌড়াদৌড়ি করতে হচ্ছে না, বরং হাতের মুঠোয় থাকা প্রযুক্তির সাহায্যেই তাঁরা নিজেদের আবেদনের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারছেন, যা এই প্রকল্পের সাফল্যকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad