রাতদিন ওয়েবডেস্ক : সোশাল মিডিয়া থেকে ধীরে ধীরে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন বলি অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে নিজের ভাবনার কথা অকপটে জানিয়েছেন তিনি। অভিনেত্রীর মতে, সোশাল মিডিয়া মানুষের মনোযোগ কেড়ে নেয় এবং ব্যক্তিগত জীবনে অযথা হস্তক্ষেপ ঘটায়। সেই কারণেই তিনি এই মাধ্যম থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছেন।
ইতিমধ্যেই নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল থেকে মেয়ে রাহার সমস্ত ছবি সরিয়ে ফেলেছেন আলিয়া। সোশাল মিডিয়া থেকে সন্তানকে দূরে রাখতেই বরাবরই সচেতন তিনি। এবার সেই ভাবনাই আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়ে নিজেও পুরোপুরি এই ডিজিটাল দুনিয়া থেকে সরে যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন অভিনেত্রী।সাক্ষাৎকারে আলিয়া বলেন, সোশাল মিডিয়ায় সব সময় সক্রিয় থাকা তাঁর কাছে ক্রমশ একঘেয়ে ও মানসিকভাবে চাপের হয়ে উঠছে। সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, সব বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো এবং সবসময় অনলাইনে উপস্থিত থাকা সহজ নয়। তাঁর ব্যক্তিগত জীবনকে ব্যক্তিগত রাখতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাই এই নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করতেও অনীহা রয়েছে তাঁর।মা হওয়ার পর থেকেই এই অনুভূতি আরও জোরালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আলিয়া। তিনি বলেন, মাতৃত্ব তাঁর জীবনে বড়সড় পরিবর্তন এনেছে শারীরিক ও মানসিক দু’ভাবেই। এই নতুন অধ্যায়ে তাঁর প্রধান লক্ষ্য এখন ভালো কাজ করা এবং নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে সুস্থ রাখা। সেই কারণেই এখন ‘প্রাইভেসি’ তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।তবে একই সঙ্গে অনুরাগীদের কথাও ভোলেননি আলিয়া। তিনি স্বীকার করেন, তাঁর ও রণবীর কাপুরের কেরিয়ারে সোশাল মিডিয়ার বড় ভূমিকা রয়েছে। অনুরাগীরা তাঁদের নতুন কাজ, ছবি বা আপডেট মূলত এই মাধ্যমের মাধ্যমেই জানতে পারেন। ফলে সোশাল মিডিয়া থেকে পুরোপুরি সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয়।উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিকবার সোশাল মিডিয়া থেকে বিরতি নিয়েছেন আলিয়া। ছবির প্রচার শেষ হওয়ার পর নিজের সমস্ত পোস্ট মুছে ফেলা বা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট করে দেওয়ার নজির রয়েছে। বর্তমানে মেয়েই তাঁর জীবনের কেন্দ্রবিন্দু। কাজের পরিমাণ কমানোর সিদ্ধান্তের পর এবার সোশাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকার ভাবনাও সেই দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

