রাতদিন ওয়েবডেস্ক : শীত এলেই ত্বকের জেল্লা যেন কোথায় হারিয়ে যায়। ঠান্ডা হাওয়া, কম আর্দ্রতা আর রুক্ষ আবহাওয়ার প্রভাব সরাসরি পড়ে ত্বকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শীতকালে মুখের ত্বক শুষ্ক, নিষ্প্রাণ ও খসখসে হয়ে ওঠে। অনেকেই এই সমস্যা এড়াতে নানা ধরনের ক্রিম, লোশন বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন।
কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, কিছুক্ষণের মধ্যেই ত্বক আবার আগের মতোই রুক্ষ হয়ে পড়ে। শুধু হাত-পা নয়, গাল, ঠোঁট এমনকি কপালেও দেখা দেয় শুষ্কতার ছাপ।তবে এই সমস্যার সমাধান লুকিয়ে আছে খুব কাছেই। সঠিক ফেস অয়েল ব্যবহার করলেই শীতের মরশুমেও ত্বক থাকতে পারে ঝলমলে ও প্রাণবন্ত। তবে মনে রাখতে হবে, সব তেল সব ধরনের ত্বকের জন্য উপযুক্ত নয়।শুষ্ক ত্বকের জন্য সবচেয়ে ভরসাযোগ্য তেল হল আমন্ড অয়েল। এটি ধীরে ধীরে ত্বকে শোষিত হয় এবং ভিতর থেকে হাইড্রেশন জোগায়। ফলে শীতেও ত্বক থাকে নরম ও উজ্জ্বল। নারকেল তেলও বহুদিনের পরিচিত। রাতে ঘুমোনোর আগে সামান্য নারকেল তেল ময়েশ্চারাইজারের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করলে ত্বকের শুষ্কতা অনেকটাই কমে।রোজশিপ অয়েল রুক্ষ ও নিষ্প্রাণ ত্বককে ভিতর থেকে সতেজ করে তুলতে দারুণ কার্যকর। একই সঙ্গে জোজোবা অয়েল তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আদর্শ। যাঁদের ব্রণ বা অতিরিক্ত তেলতেলে ত্বকের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এই তেল ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। আর্গান অয়েলে থাকা ভিটামিন ই শুষ্ক ত্বককে ঝলমলে করে তুলতে কার্যকর ভূমিকা নেয়। এছাড়া রাতে ঘুমোনোর আগে অলিভ অয়েল ব্যবহার করলেও ত্বক হয় মসৃণ ও কোমল।বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁদের ত্বক অত্যন্ত শুষ্ক, তাঁরা নারকেল, অলিভ বা আমন্ড তেল ব্যবহার করতে পারেন। তৈলাক্ত বা ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য জোজোবা অয়েল সবচেয়ে নিরাপদ। আর বয়স ৩৫ পেরোলে রোজশিপ ও আর্গান অয়েল ত্বকের জেল্লা ফিরিয়ে আনতে বিশেষভাবে সহায়ক। সঠিক তেল বেছে নিলেই শীত শেষে ত্বকের গ্লো ধরে রাখা সম্ভব।

