Type Here to Get Search Results !

Jombu VS Kasmir T20 : রঞ্জি ফাইনালে দাপট জম্মু-কাশ্মীরের, শাস্তি পেলেন অধিনায়ক পরশ ডোগরা

 রাতদিন ওয়েবডেস্ক : প্রথম বার রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে উঠেছে জম্মু ও কাশ্মীর। কিন্তু অভিষেক ফাইনাল বলেই যে নার্ভাসনেস থাকবে, তার কোনও ছাপ নেই তাদের খেলায়। বরং দ্বিতীয় দিনের শেষে ব্যাট হাতে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে তারা। ঘরের মাঠে খেলতে নেমে চাপে কর্নাটক। দ্বিতীয় দিনের শেষে স্কোরবোর্ডে ৫২৭/৬ হাতে এখনও চার উইকেট।এই ঐতিহাসিক ফাইনাল আয়োজিত হচ্ছে রঞ্জি ট্রফি -এর মঞ্চে, যেখানে বহু বছর ধরে দেশের সেরা রাজ্য দলগুলির লড়াই দেখা যায়। সেই প্রতিযোগিতার ফাইনালেই কার্যত একপেশে ছবি এঁকে দিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর।

দিনের অপরাজিত শতরানকারী শুভম পুন্ডির দ্বিতীয় দিনেও আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তবে ১২১ রানে তাঁর ইনিংস থামে। বিদ্যাধর পাতিলের বলে অনীশের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। শুভমের সঙ্গে ১২৪ রানের জুটি ভাঙতেই খানিকটা স্বস্তি পায় কর্নাটক। কিন্তু সেই স্বস্তি স্থায়ী হয়নি।অপর প্রান্তে আব্দুল সামাদ ৬১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। তাঁকে ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ৩০৭/৪ অবস্থায় কর্নাটক ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু অধিনায়ক পরশ ডোগরা এবং কানহাইয়া ওয়াধাওয়ানের জুটি সেই সম্ভাবনা ধূলিসাৎ করে দেয়। ৩২ ওভারে ১১০ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যায় তারা।প্রসিদ্ধ নতুন বলে কিছুটা ছন্দে থাকলেও পরশ ও কানহাইয়ার আগ্রাসী ব্যাটিং তাঁর লাইন-লেন্থে প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে কানহাইয়া রানরেট কমতে দেননি। সহজেই ৪০০ পার করে যায় দল। কানহাইয়া আউট হওয়ার পরও ইনিংস টেনে নিয়ে যান পরশ। একবার বল হেলমেটে লেগে স্টাম্পে আঘাত করলেও বেল না পড়ায় বেঁচে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত শ্রেয়স গোপালের বলে রক্ষণাত্মক খেলতে গিয়ে উইকেট খোয়ান।এর পরেও থামেনি জম্মু-কাশ্মীর। সাহিল লোতরা ও আবিদ মুস্তাক দিনের শেষে অপরাজিত থেকে ৫৬ রানের জুটি গড়েছেন। মন্দ আলোর কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই খেলা শেষ হয়। পরিস্থিতি যা, তাতে তৃতীয় দিনের শুরুতেই দ্রুত উইকেট না তুলতে পারলে কর্নাটকের পক্ষে ম্যাচে ফেরা কঠিন।তবে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিতর্কও ছায়া ফেলেছে ম্যাচে। ইনিংসের ১০১তম ওভারে উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত তৈরি হয়। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের একটি বল খেলার পর ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে থাকা কেভি অনীশের দিকে তেড়ে যান পরশ। দু’জনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। তার পরেই দেখা যায়, অনীশকে ঢুঁসো মারেন জম্মু-কাশ্মীর অধিনায়ক। যদিও দু’জনেরই মাথায় হেলমেট থাকায় বড় চোট লাগেনি।

ঘটনায় অবাক হয়ে যান কর্নাটক অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও সতীর্থরা। পরিস্থিতি সামলাতে এগিয়ে আসেন রাহুল ও আম্পায়ারেরা। পরে হাতের ইশারায় অনীশের কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা যায় পরশকে। তবে অনীশ তা সহজে মেনে নেননি।ঘটনার জেরে ম্যাচ ফি-র ৫০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে পরশকে। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, “খুব বড় কিছু নয়। উত্তেজনার মুহূর্তে এমন ঘটনা ঘটে যেতে পারে, বিশেষ করে ফাইনালের মতো ম্যাচে। বিষয়টি সেখানেই শেষ।”সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দিনের শেষে ম্যাচের রাশ জম্মু ও কাশ্মীরের হাতে। কিন্তু তৃতীয় দিনের শুরুতে কর্নাটক যদি দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে না পারে, তবে ইতিহাস গড়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে পরশ ডোগরার দল যদিও তাঁর আচরণ নিয়ে বিতর্ক রয়ে গেল।

Tags

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad