Type Here to Get Search Results !

Unemployment in Bengal : কবে ফিরবে শিল্প সংস্থা। বাংলার ছেলেরা কি পাবে চাকরি! নাকি যেতে হবে ফের রাজের বাইরে

রাতদিন ওয়েবডেস্ক : ২০০৮ সালে সিঙ্গুর থেকে টাটা ন্যানো কারখানা সরে যাওয়ার সেই ঐতিহাসিক ‘ট্রিগার’ আজও পশ্চিমবঙ্গের শিল্পায়ন ও রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। ন্যানোর মতো একটি বৃহৎ গাড়ি শিল্প কেন্দ্র এবং তার অনুসারী শিল্পগুলি যে বিপুল পরিমাণ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের যেমন আবাসন, লজিস্টিক্স বা পরিষেবা ক্ষেত্র সুযোগ তৈরি করতে পারত, গত পনেরো বছরে তার অভাব শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তীব্র কর্মসংস্থান সংকট তৈরি করেছে। 

বর্তমান রাজ্য সরকার ডেউচা পাঁচামি কয়লা খনি, অশোকনগর তেল প্রকল্প এবং সেমিকন্ডাক্টর হাবের মতো বড় প্রকল্পের মাধ্যমে শিল্পায়নের দাবি করলেও, বিরোধীদের মতে বাস্তবে বড় কোনো চিমনি দিয়ে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়নি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী বিজিবিএস থেকে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব এলেও, কেন্দ্রীয় সংস্থা ডিপিআইআইটি র রিপোর্ট বলছে প্রস্তাবিত বিনিয়োগ ও বাস্তবায়িত প্রকল্পের মধ্যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে। এফডিআই বা সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ দেশের বড় রাজ্যগুলির তুলনায় অনেকটা পিছিয়ে। 

একদিকে মুখ্যমন্ত্রী যখন ১.৭২ কোটি মানুষকে দারিদ্রসীমার ওপরে আনা এবং ২ কোটি কর্মসংস্থানের দাবি করছেন, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় তথ্য বলছে ২০১১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় সাত হাজার শিল্প সংস্থা রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছে। বড় শিল্পের অভাব এবং শিক্ষা নিয়োগে দুর্নীতির জেরে বিকল্প হিসেবে চা চপ ঘুগনি বিক্রির মতো ক্ষুদ্র উদ্যোগ এখন কর্মসংস্থানের বৃত্তে জায়গা করে নিয়েছে। ফলে স্নাতক স্তরের পর উচ্চশিক্ষায় অনীহা বাড়ছে তরুণদের মধ্যে, যা রাজ্যের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর এক গভীর প্রশ্নচিহ্ন ঝুলিয়ে দিয়েছে।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad