রাতদিন ওয়েবডেস্ক : টলিপাড়ার অন্যতম ‘পাওয়ার কাপল’ অঙ্কুশ হাজরা ও ঐন্দ্রিলা সেন। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁরা একে অপরের হাত ধরে চলছেন। অনুরাগীদের মনে প্রশ্ন উপচে পড়ছে যে, কবে সাতপাকে ধরা দেবেন এই জুটি? এতদিন এই প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গেলেও এবার এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বিয়ে না করার আসল কারণ খোলসা করলেন অঙ্কুশ। তাঁর মতে, প্রথাগত বিয়ের পর জীবন যেভাবে বদলে যায় বা সন্তান নেওয়ার যে সামাজিক বাধ্যবাধকতা থাকে, তা এই মুহূর্তে তাঁদের কাছে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। বরং কাজের মধ্যে দিয়ে জীবনকে উপভোগ করা এবং নিজেদের মধ্যেকার মানসিক টান বজায় রাখাটাই তাঁদের কাছে আসল।
সাক্ষাৎকারে অঙ্কুশ কিছুটা অবাক করার মতো যুক্তি দিয়ে বলেন যে, তিনি অনেক অভিজ্ঞ মানুষের কাছে শুনেছেন দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিয়ে না করাই বেশি ভালো। কারণ বিয়ের পর মানুষ একে অপরকে অনেক সময় অবহেলা করতে শুরু করে বা সবটা নিশ্চিত ভেবে সম্পর্কের যত্ন নিতে ভুলে যায়। অনেকের কাছে বয়সের কথা ভেবে পরবর্তী প্রজন্মকে আনা জরুরি হয়ে পড়ে, কিন্তু অঙ্কুশ ও ঐন্দ্রিলার ক্ষেত্রে সেই পারিবারিক চাপ নেই। তাঁরা মনে করেন, বিয়ের চেয়েও একসঙ্গে থাকা এবং প্রতিদিনের জীবনকে উদযাপন করাটাই বেশি জরুরি।
অন্যদিকে ঐন্দ্রিলা এই বিষয়টিকে সরাসরি তাঁদের কর্মজীবনের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন। মজার ছলে তিনি দর্শকদের উদ্দেশে বলেন, তাঁদের আগামী ছবি ‘নারী চরিত্র’ যদি ব্লকবাস্টার হয় এবং দর্শকরা টিকিট কেটে তাঁদের সাফল্য এনে দেন, তবেই তাঁরা বিয়ের কথা ভাববেন। ঐন্দ্রিলার দাবি, দর্শকরা যদি সিনেমা না দেখেন বা টাকা না দেন, তবে তাঁদের বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করার অধিকারও কারও নেই। অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার এই খোলামেলা এবং সাহসি মন্তব্য টলিপাড়ার চিরাচরিত রীতিনীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নতুন এক জীবনবোধের পরিচয় দিয়েছে।
