রাতদিন ওয়েবডেস্ক : ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা তীব্র হয়ে উঠেছে। তেহরান ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলার ফলে দুবাইয়ে অবস্থানরত ধনী ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে পড়ে যান। বিমানবন্দর অচল হওয়ায় ব্যক্তিগত বিমানই এখন তাদের একমাত্র নিরাপদ বিকল্প।দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত ও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেখানে বসবাসরত প্রভাবশালী ও ধনী ব্যক্তিরা এখন সপরিবারে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছেন। এই সুযোগে চার্টার্ড বিমানের ভাড়া স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
অনেক ইস্তাম্বুলগামী একটি ছোট জেটের ভাড়া বর্তমানে ৮৫ হাজার ইউরো বা প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ টাকা, যা সাধারণ সময়ের তুলনায় তিন গুণ বেশি।প্রাইভেট জেট ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যমতে, চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় এবং বিমা জটিলতায় অনেক অপারেটর ফ্লাইট চালাতে রাজি না হওয়ায় ভাড়ার হার আকাশ ছুঁয়েছে। মাসকাট থেকে ইস্তাম্বুল যাওয়ার খরচ এখন ৮৫ হাজার ইউরো প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ টাকা, যা স্বাভাবিক ভাড়ার প্রায় তিনগুণ। ইউরোপের ফ্লাইটের ভাড়া দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ ডলারে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে অনেক বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থা বিলাসবহুল এসইউভি গাড়ির বহর ব্যবহার করে এদিকে দুবাইয়ে আটকা পড়া সাধারণ পর্যটকদের অবস্থা আরও শোচনীয়।দুবাই পর্যটন বোর্ড হোটেলগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে যাতে পর্যটকদের বের করে না দেওয়া হয় এবং আগের ভাড়াতেই থাকার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। তবে অনেক রুশ পর্যটক অভিযোগ করেছেন যে, হোটেল কর্তৃপক্ষ তাদের কাছে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করছে অথবা রিসোর্ট ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছে।এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক পর্যটন, ব্যবসা ও নিরাপত্তার জন্য চরম সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে, এবং ধনকুবেরদের তীব্র আতঙ্কের মধ্যে তাদের পলায়ন অব্যাহত।দুবাইয়ে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যটন শিল্পকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা তীব্র হয়ে উঠেছে, যার ফলে দুবাইয়ে অবস্থানরত ধনী ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে পড়ে যান।
বিমানবন্দর অচল হওয়ায় ব্যক্তিগত বিমানই এখন তাদের একমাত্র নিরাপদ বিকল্প।দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত ও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেখানে বসবাসরত প্রভাবশালী ও ধনী ব্যক্তিরা এখন সপরিবারে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছেন। এই সুযোগে চার্টার্ড বিমানের ভাড়া স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। অনেক ইস্তাম্বুলগামী একটি ছোট জেটের ভাড়া বর্তমানে ৮৫ হাজার ইউরো বা প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ টাকা, যা সাধারণ সময়ের তুলনায় তিন গুণ বেশি।প্রাইভেট জেটের ভাড়া বৃদ্ধির কারণে ধনকুবেররা বিভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। কেউ কেউ উচ্চ ভাড়া দিয়ে হলেও নিরাপদে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছেন, আবার কেউ কেউ পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। অনেকেই বিকল্প বিমানবন্দর বা পরিবহনের ব্যবস্থা করছেন।দুবাইয়ে পর্যটন শিল্পের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে পরিস্থিতির উন্নতির ওপর। যদি উত্তেজনা কমে যায় এবং বিমানবন্দর খুলে দেওয়া হয়, তাহলে পর্যটন শিল্প আবারও জেগে উঠবে। তবে যদি পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তাহলে পর্যটন শিল্পের ক্ষতি হতে পারে।

