রাতদিন ওয়েবডেস্ক : ইদ উদযাপনের রেশ কাটতে না কাটতেই দীপিকা কাকর ও শোয়েব ইব্রাহিমের পরিবারে উদ্বেগের ছায়া। ফের একবার রক্তপরীক্ষার মুখোমুখি হতে চলেছেন দীপিকা। আর তাতেই রীতিমতো আশঙ্কায় দিন কাটছে এই টেলি-দম্পতির। সম্প্রতি শোয়েব তাঁর ভ্লগে দীপিকার বর্তমান মানসিক অবস্থার কথা বলতে গিয়ে জানান, দীপিকা ভেতরে ভেতরে কতটা ভেঙে পড়েছেন এবং এই পরিস্থিতি নিয়ে কতটা আতঙ্কিত ইদ কাটতেই হাসপাতালে দীপিকা! ফের রক্তপরীক্ষার ভয়ে ‘কুঁকড়ে’ যাচ্ছেন অভিনেত্রী, বিগত কিছুদিন ধরেই দীপিকা কাকর ইব্রাহিমের শরীরটা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না।
দীপিকা এবং শোয়েব তাঁদের ইউটিউব ভ্লগের মাধ্যমে নিয়মিত ভক্তদের সঙ্গে নিজেদের জীবনের নানা ওঠাপড়ার কথা শেয়ার করেন। সম্প্রতি একটি ভিডিওতে শোয়েব জানান, দীপিকার শারীরিক কিছু সমস্যার কারণে চিকিৎসকরা তাঁকে আবার রক্তপরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন। আর এই ‘রক্তপরীক্ষা’ শব্দটাই যেন ঘুম কেড়ে নিয়েছে দীপিকার। কেন ভেঙে পড়ছেন দীপিকা? শোয়েব ভ্লগে জানান, দীপিকা এমনিতে খুবই শক্ত মনের মানুষ, কিন্তু ইনজেকশন বা সুঁচের প্রতি তাঁর বরাবরের একটা ভীতি রয়েছে। দীপিকা এখন ভয়ে একেবারে কুঁকড়ে আছে। ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে কারণ বারবার এই সুঁচ ফোটানো এবং রক্তপরীক্ষার ধকল ও নিতে পারছে না। ওর জন্য এই সময়টা খুব কঠিন। চিকিৎসকরা দীপিকাকে বেশকিছু শারীরিক পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন কারণ তাঁর কিছু ‘প্যারামিটার’ ঠিকঠাক আসছে না। ইদের আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই এই স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জটিলতা পরিবারে বিষণ্ণতা তৈরি করেছে। দীপিকা জানিয়েছেন, সুঁচ দেখলেই তাঁর শরীর খারাপ লাগতে শুরু করে, আর বারবার পরীক্ষা করার ফলে তিনি মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্লান্ত বোধ করছেন। পাশে আছেন শোয়েব ও পরিবার তবে এই কঠিন সময়ে শোয়েব তাঁর স্ত্রীর ছায়াসঙ্গী হয়ে রয়েছেন। ভক্তদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তাঁরা যেন দীপিকার জন্য দোয়া বা প্রার্থনা করেন যাতে সব রিপোর্ট স্বাভাবিক আসে এবং দীপিকা দ্রুত এই আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে পারেন। শোয়েব আরও যোগ করেন যে, দীপিকা হয়তো কয়েক দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় বা ভিডিওতে অনিয়মিত থাকতে পারেন, কারণ এই মুহূর্তে তাঁর বিশ্রাম এবং মানসিক শান্তি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। দীপিকা ও শোয়েবের ভক্তরা এই খবর শুনে বেশ উদ্বিগ্ন। কমেন্ট বক্সে উপচে পড়ছে তাঁদের দ্রুত আরোগ্য কামনার বার্তা। এখন দেখার, সব বাধা কাটিয়ে কবে আবার প্রাণোচ্ছল দীপিকাকে পর্দায় বা ভ্লগে দেখতে পান অনুরাগীরা।

