রাতদিন ওয়েবডেস্ক : কোপা দেল রে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে বার্সেলোনা আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ৪-০ ব্যবধানে পরাজয় হয়েছে, যা হান্সি ফ্লিকের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফাইনালে উঠতে হলে বার্সেলোনাকে আগামী দ্বিতীয় লেগে অন্তত ৫-০ ব্যবধানে জিততে হবে। ম্যাচের শুরু থেকেই আতলেতিকো দাপট দেখিয়েছে, এবং প্রথমার্ধের মধ্যেই তারা ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছে।ম্যাচের ৭ মিনিটে এরিক গার্সিয়ার আত্মঘাতী গোলে আতলেতিকো এগিয়ে যায়। বার্সেলোনা তখনও পুরোপুরি গুছতে পারেনি। এর ৭ মিনিট পরেই দ্বিতীয় গোল আসে, যা করেন আঁতোয়া গ্রিজম্যান। ২-০ ব্যবধানে এগিয়েও আতলেতিকো তাদের আগ্রাসী ফুটবল বজায় রাখে এবং বার্সেলোনার ডিফেন্সকে চাপের মধ্যে রাখে।
ম্যাচের ৩৩ মিনিটে আদেমোলা লুকম্যান দলের হয়ে তৃতীয় গোল করেন। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে জুলিয়ান আলভারেজ আরও একটি গোল করে আতলেতিকোকে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়।এই ফলাফল বার্সেলোনার জন্য একটি বড় ধাক্কা। ১৯৫৩ সালের পর প্রথমবার কোনও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের প্রথমার্ধে তারা ০-৪ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ল। এর আগে, ১৯৫৩ সালে রিয়েল মাদ্রিদ লা লিগার ম্যাচে প্রথমার্ধে চার গোল দিয়ে বার্সেলোনাকে হারিয়েছিল। এছাড়াও, ১৯৪৯-৫০ মরসুমে আতলেতিকোও একটি ম্যাচে বার্সেলোনার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল।ফ্লিকের দলকে ফাইনালে উঠতে হলে দ্বিতীয় লেগে আরও বড় ব্যবধানে জিততে হবে, যা নিঃসন্দেহে কঠিন চ্যালেঞ্জ। প্রথম লেগে আতলেতিকোর ধারাবাহিক আক্রমণ এবং বার্সেলোনার ডিফেন্সের দুর্বলতা এই বিশাল ব্যবধান তৈরি করেছে। শুরু থেকেই আতলেতিকো ফুটবলাররা অত্যন্ত আগ্রাসী ছিলেন এবং একের পর আক্রমণ চালিয়ে বার্সেলোনার ডিফেন্সকে চাপে রেখেছিলেন।বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিকের জন্য এটি কোচিংজীবনের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের হারের মধ্যে একটি। প্রথমার্ধেই চার গোল খাওয়া এবং পুরো দলকে খারাপ অবস্থায় দেখা পুরো ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। দ্বিতীয় লেগে এই ব্যবধান কমানোর জন্য বার্সেলোনার জন্য চাপ অনেক বেশি। আতলেতিকোর প্রতিরক্ষা শক্তিশালী এবং আক্রমণ চালানোর ধরন পুরো ম্যাচে দৃঢ় ছিল।ফলে, বার্সেলোনার সমর্থকরা এবার উদ্বিগ্ন যে, দল কি এই বিশাল ব্যবধান থেকে ফিরে আসতে পারবে। কোপা দেল রে ফাইনালে ওঠার জন্য দ্বিতীয় লেগে জয় ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। আতলেতিকোর দাপট এবং বার্সেলোনার দুর্বলতা এই প্রথম লেগে স্পষ্ট হয়ে গেছে।

