রাতদিন ওয়েবডেস্ক : আপনার সংসারে হঠাৎ অশান্তি, অসুখ বা আর্থিক সমস্যার উদ্ভব হলে কি ভাবছেন, এটি কারও ‘নজর’ বা অশুভ দৃষ্টির ফল? বাস্তুশাস্ত্রের মতে, রাহু ও কেতু গ্রহের প্রভাব এবং চন্দ্রের দুর্বল অবস্থার কারণে আপনার ঘরে নেতিবাচক শক্তি প্রবেশ করতে পারে। বিশেষ করে শিশুরা বা সুখী সংসারে হঠাৎ অশান্তি দেখা দিলে এটি নজরের লক্ষণ হতে পারে।
গ্রামের বহু মানুষ বিশ্বাস করেন, কারও হিংসা, ঈর্ষা বা অতিমাত্রায় আকাঙ্ক্ষার কারণে তার দৃষ্টি অন্যের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ঘরে নতুন কোনও শুভ কাজ বা সুখের বৃদ্ধি হলে এই অশুভ শক্তি প্রবেশ করতে পারে। ফলে হঠাৎ অসুস্থতা, মানসিক চাপ বা আর্থিক অনটন দেখা দেয়। তবে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, নির্দিষ্ট দিনে ঘরোয়া টোটকা মেনে অশুভ শক্তি কাটানো সম্ভব।সপ্তাহের মঙ্গলবার এবং শনিবারকে সবচেয়ে শুভ দিন হিসেবে ধরা হয়। মঙ্গলবার মঙ্গল গ্রহের তেজ কাজ করে এবং শনিবার শনির শক্তি ঘরের স্থবির শক্তিকে সচল করে।
মঙ্গলবারের টোটকা:
সাতটি শুকনো লঙ্কা ও এক চিমটি সৈন্ধব লবণ নিন। আক্রান্ত ব্যক্তির মাথার চারপাশ অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ ৩ বা ৭ বার ঘোরান। এরপর লঙ্কাগুলো আগুনে পুড়িয়ে দিন। যদি লঙ্কার পোড়ার সময় ঝাঁঝালো গন্ধ বের হয়, তবে বুঝবেন কুনজর বা অশুভ দৃষ্টি লেগেছিল।
শনিবারের টোটকা:
সর্ষে দানা, লবণ ও জোয়ান হাতে নিন। আক্রান্ত ব্যক্তির মাথার চারপাশ ৭ বার ঘুরিয়ে মাটির প্রদীপে পুড়িয়ে ফেলুন। এরপর ভস্মগুলো বেসিনে ধুয়ে দিন। এতে ঘরে জমে থাকা স্থবির শক্তি আবার সচল হয়ে ওঠে এবং নেতিবাচক প্রভাব দূর হয়।বিশেষজ্ঞরা বলেন, হঠাৎ সংসারে অশান্তি বা অসুখ দেখা দিলে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। প্রতিদিনের জীবনের চাপ এবং মানসিক অবসাদও এর পেছনে কাজ করতে পারে। তবে এই ঘরোয়া টোটকা মেনে চললে পরিবারে শান্তি ফিরে আসে, মানসিক স্থিতি বজায় থাকে এবং ঘরের ইতিবাচক শক্তি শক্তিশালী হয়।সংক্ষেপে, বাস্তুশাস্ত্র আমাদের শেখায়, নির্দিষ্ট দিনে সঠিক পদ্ধতিতে কিছু ঘরোয়া ক্রিয়া করলে নেগেটিভ শক্তি কাটানো সম্ভব। মঙ্গলবার ও শনিবার এই টোটকাগুলো মেনে চলুন, আর সংসারে সুখ-শান্তি ফিরিয়ে আনুন।

