Type Here to Get Search Results !

Rising Stakes : ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের নীরবতা, পশ্চিম এশিয়ায় নৌবহর মোতায়েন ঘিরে প্রশ্ন

রাতদিন ওয়েবডেস্ক : ইরানকে ঘিরে আমেরিকার অবস্থান নিয়ে ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে ধোঁয়াশা। সামরিক অভিযান চালানো হবে কি না এই প্রশ্নে বারবার মুখোমুখি হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক দিকে তিনি একাধিক বার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অন্য দিকে কূটনৈতিক আলোচনার কথাও তুলে ধরছেন। ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ইরান নিয়ে আমেরিকার কী পরিকল্পনা, তা পশ্চিম এশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলির সঙ্গেও ভাগ করে নেওয়া হয়নি।


 তাঁর দাবি, এই মুহূর্তে একমাত্র আমেরিকাই জানে, তারা ইরান প্রশ্নে কী ভাবছে।মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ়কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমাদের পরিকল্পনার কথা কাউকে বলা সম্ভব নয়। প্রকাশ্যে বললে যেমন বিপদ, মিত্রদের জানালেও তার চেয়ে কম ঝুঁকি নেই।’’ একই সঙ্গে তিনি আবারও উল্লেখ করেন, ইরানের দিকে একটি বিশাল মার্কিন নৌবহর এগোচ্ছে। যদিও তাঁর আশা, এই নৌবহর ব্যবহার করার প্রয়োজন যেন না পড়ে।দীর্ঘ দিন ধরেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে সরব আমেরিকা। এর মধ্যেই ইরানে সাম্প্রতিক অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। কট্টরপন্থার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশটির একাধিক শহর। অভিযোগ, সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের নির্দেশে সেই আন্দোলন কঠোর ভাবে দমন করা হয়েছে।

 বিভিন্ন সূত্রের দাবি, তাতে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।এই প্রেক্ষাপটে আমেরিকার সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। শনিবার ট্রাম্প বলেন, ‘‘ওরা আমাদের সঙ্গে কথা বলছে। কী করা যায়, তা দেখা হচ্ছে। সমঝোতা না হলে পরিণতি কী হবে, তা সময়ই বলবে।’’ তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, আলোচনার পথ খোলা থাকলেও শক্তি প্রদর্শনের কৌশল থেকে সরে আসতে রাজি নন তিনি।ইতিমধ্যেই বিমানবাহী যুদ্ধপোত ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের নেতৃত্বে একটি নৌবহর পশ্চিম এশিয়ার দিকে পাঠিয়েছে আমেরিকা। তেহরানও স্বীকার করেছে, কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চলছে। তবে একই সঙ্গে ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যদি আমেরিকা কোনও সামরিক হামলা চালায়, তা হলে সেটিকে যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবেই দেখা হবে এবং তার জবাব দেওয়া হবে সর্বশক্তি দিয়ে।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad