রাতদিন ওয়েবডেস্ক : আজ রামকৃষ্ণ দেবের ১৯১ তম জন্মতিথি উপলক্ষে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নানা অনুষ্ঠান। বেলুড় মঠে শ্রী রামকৃষ্ণদেবের জন্ম মহোৎসব পালিত হচ্ছে মহাসমারোহে। ভোর ৪টায় মঙ্গলারতির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর, খোল-করতাল সহযোগে মঠে ঘুরে ঘুরে হয় ঊষা-কীর্তন। সারা সকাল চলে বিশেষ পুজো ও হোম।কামারপুকুরে শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মভিটেতেও মহাসমারোহে পালিত হচ্ছে তাঁর জন্মতিথি। সকালে হয় মঙ্গলারতি, বেদপাঠ, এরপর বিশেষ পুজো, হোম। এরপর কামারপুকুরেই হয় শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের জন্মতিথি উৎসব।জন্মতিথি উপলক্ষে বেলুড় মঠে মেলা বসে। প্রায় ৫০ হাজার মানুষের জন্য ভোগের আয়োজন করা হয়েছে।
বিকেলে ধর্মসভার আয়োজন করা হয়। এছাড়াও, রামকৃষ্ণ মিশনের বিভিন্ন শাখা কেন্দ্রে ও বিভিন্ন রামকৃষ্ণ সংঘে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মতিথি উপলক্ষে সেজে উঠেছে বেলুড় মঠের ভেতর। এদিন সূচি মেনেই ৪টায় শ্রী রামকৃষ্ণ বন্দনার মাধ্যমে শুরু হয় ১৯১তম শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের জন্মতিথির অনুষ্ঠান।রামকৃষ্ণ দেবের জন্মদিনে তাঁর প্রতি জানাই শতকোটি প্রণাম। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা যেন সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে পারি।রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জন্মদিবস প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে পালিত হয়। ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, তিনি ১৮৩৬ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি হুগলি জেলার কামারপুকুরে জন্মগ্রহণ করেন।রামকৃষ্ণ মিশনের বিভিন্ন শাখা কেন্দ্রে নানা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। বেলুড় মঠে শ্রী রামকৃষ্ণদেবের জন্ম মহোৎসব পালিত হচ্ছে মহাসমারোহে। ভোর ৪টায় মঙ্গলারতির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর, খোল-করতাল সহযোগে মঠে ঘুরে ঘুরে হয় ঊষা-কীর্তন। সারা সকাল চলে বিশেষ পুজো ও হোম।রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বেলুড় মঠ-সহ রামকৃষ্ণ মঠ ও অন্যান্য শাখা কেন্দ্রে ভিড় জমিয়েছেন ভক্তরা। ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দের পয়লা মে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দেবের ভক্ত বলরাম বসুর উত্তর কলকাতার বাগবাজারের বাড়িতে স্বামী বিবেকানন্দ রামকৃষ্ণ মিশন নাম দিয়ে একটি সংঘ প্রতিষ্ঠা করেন।

