রাতদিন ওয়েবডেস্ক : মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আবারও রাজ্য প্রশাসনকে কড়া ভাষায় বিঁধলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকাল থেকেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে বেলডাঙা। এই ঘটনায় রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।
বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ বেলডাঙার ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন পশ্চিমবঙ্গে এখন আর কোনো সিস্টেম নেই। সাধারণ মানুষ তো ছেড়েই দিন সংবাদমাধ্যমও এখানে নিরাপদ নয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে তোষণ এবং ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির কারণেই বেলডাঙার মতো এলাকায় বার বার অশান্তি হচ্ছে এবং পুলিশ হাত গুটিয়ে বসে থাকছে। তাঁর দাবি রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ। বেলডাঙার সুজাপুর কুমারপুর এলাকার বাসিন্দা আলাউদ্দিন শেখ পেশার তাগিদে ঝাড়খণ্ডে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁকে বাংলাদেশি সন্দেহে মারধর করা হয় এবং পরে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় বলে অভিযোগ। শুক্রবার সকালে দেহ গ্রামে ফিরতেই উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক এবং রেললাইন অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়।খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া অন্যদিকে উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেলডাঙার ঘটনায় শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন কাদের প্ররোচনায় অশান্তি হচ্ছে আপনারা জানেন। প্ররোচনায় পা দেবেন না। মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন যে, বিভিন্ন জেলায় নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে কাটার ষড়যন্ত্র চলছে যা সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভ তৈরি করছে। বিজেপির পাল্টা দাবিদিলীপ ঘোষ পাল্টা আক্রমণে বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুধু প্ররোচনার কথা বলেন কিন্তু খুনিদের বা যারা অশান্তি করছে তাদের শাস্তি দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা করেন না। তাঁর মতে পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
