রাতদিন ওয়েবডেস্ক : বর্তমানের তরুণ প্রজন্ম ‘ইয়ো ইয়ো ডায়েট’-এর চর্চায় ঝুঁকছে, কারণ এতে দ্রুত ফল পাওয়া যায় ওজন কমানো বা বাড়ানো দু’ই সম্ভব। কিন্তু এই ডায়েটকে একেবারেই বিশ্বাস করেন না বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। সামনেই বিয়েবাড়ি, হাতে এক মাস সময় অনেকে শরীরকে দ্রুত টানটান করতে গিয়ে এই ধরনের ক্র্যাশ ডায়েটের দিকে ছুটে যান। তবে দীপিকা মনে করেন, শরীরের পরিবর্তনকে দ্রুত করলেই যে ফিটনেস আসে, তা ভুল ধারণা।
অভিনেত্রী নিজে একজন মা, কিন্তু ফিটনেসে তিনি যে পরিমাণ সচেতন, তা অনেকের কাছে অনুকরণীয়। তিনি বলছেন, ‘শর্ট কার্ট’ দিয়ে ফল পাওয়ার চেষ্টা ঠিক নয়। ‘ক্র্যাশ ডায়েট’ বা ‘ইয়ো ইয়ো ডায়েট’ শরীরকে কষ্ট দেয়, দীর্ঘমেয়াদে বিপাক ও হরমোনে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এমনকি মাংসপেশির পরিবর্তে শরীরে ফ্যাট জমতে পারে এবং ফ্যাটি লিভারের মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে এগুলোই পুষ্টিবিদের বারবার আশঙ্কা করা বিষয়।করিনা কপূরের পুষ্টিবিদ রুজুতা দিবেকরও সমাজমাধ্যমে সতর্ক করেছেন, ওজন কমাতে বা বাড়াতে তাড়াহুড়া করা উচিত নয়। তার বদলে ধীরে ধীরে, নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের মাধ্যমে ফল অর্জন করা উচিত।দীপিকা নিজে ৪০-এও ফিটনেসে টিকে আছেন তার মূল নীতি ‘ব্যালান্সড ডায়েট’ এবং নিয়মিত শরীরচর্চা। পুষ্টিবিদের মতে, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটামিন ও খনিজ সবই সুষমভাবে খাওয়া জরুরি। সাথে পর্যাপ্ত জলপান, পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত ব্যায়াম হলে স্বাস্থ্যও ভালো থাকে, শরীরও সুগঠিত হয়।তাই দীপিকার মতে, শরীরের রূপ বদল চাইলে ‘দ্রুত ফল’ নয়, ‘সুস্থ ও স্থায়ী পরিবর্তন’ লক্ষ্য করা উচিত। কারণ ফিটনেস কোনো ট্রেন্ড নয় এটি জীবনধারা।
