Type Here to Get Search Results !

জন শূন্য কলকাতা! ঝড় থেকে রক্ষা পেতে 'না বেরোনোর' উদ্যোগ

রাতদিন ওয়েবডেস্ক: ' ডানা'- য় খাঁ খাঁ মহানগর। শুক্রবার বৃষ্টির দাপটে ঘর থেকেই বের হননি বহু মানুষ। শপিংমল ফুটপাত থেকে মেট্রো স্টেশন সবই ছিল মনুষ্য বিহীন। রাস্তায় দেখা মিলেছিল জমা জলের ঢেউয়ের। গণপরিহন পাওয়া ছিল দুসাধ্য একটি বিষয়। হাওয়া ও বৃষ্টির দাপট থেকে রক্ষা পেতে প্রায় জনশূন্য ছিল কলকাতা। কোন রকম সংকটের মুখোমুখি হতে পারেন তাঁরা এই ভেবেই হয়তো বহু মানুষ ঘরের দরজা বন্ধ রেখেছিলেন। ব্যস্ততম রেলওয়ে স্টেশন শিয়ালদাকেও এদিন প্রায় জনহীন দেখা যায়। পেশাগত কারণ ছাড়া বিশেষ কেউ এদিন ঝড়ের মুখোমুখি হতে চাননি। 

শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় পাম্প করে জল বের করছিলেন রেলকর্মীরা।  দক্ষিণ শাখা যেমন লক্ষীকান্তপুর সোনারপুর ডায়মন্ড হারবার এই ট্রেনগুলিও  কার্যত ফাঁকাই ছিল এদিন ।  ডানার দাপটের মধ্যেই কাজে যাওয়া বেসরকারি ব্যাঙ্কের এক কর্মী বলেন, ‘ব্যাঙ্কে চাকরি করি। ভূমিকম্প হলেও যেতে হয়।’ অন্য একজন বেসরকারি কর্মী অবন্তি মুখোপাধ্যায় বলেন, "দেরি হলো অফিসে যেতেই হবে, বাড়ি থেকে ফোন আসছে রাস্তাঘাটে অবস্থান সম্বন্ধে জানার জন্য।" এরপর এক ঘুগনি ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি বলেন, ‘আজ একদম কম করে নিয়ে এসেছি।

এটুকু বিক্রি হলেই বেঁচে যাই। তারপর বাড়ি চলে যাব।’ রেলওয়ে স্টেশন গুলিতে শুধুমাত্র দূরপাল্লার যাত্রীদেরই ভিড় দেখা গিয়েছে এদিন। মানুষের আনাগোনা লেগে থাকা নিউ মার্কেটেও দোকানগুলি ত্রিপলে দিয়ে ঢাকা ছিল। এমনকি মেট্রো স্টেশনও দিনের প্রাইম সময়গুলিতেও প্রায় ফাঁকাই ছিল। যদিও ঝড় বৃষ্টি হলে সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হন। রোগীর পরিবার ও আত্মীয়রা। বলে কয়ে না আসা এই রোগের জন্য যেকোনো পরিস্থিতিতে বাড়ির বাইরে বেরোতে হয় জনসাধারণকে। অন্যদিকে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ এসএসকেএম এর সামনেই জমে রয়েছে জল। স্ত্রীরোগ বিভাগের সামনে জমে থাকা জল পরিষ্কার করছেন হাসপাতালের কর্মীরা। এদিন বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া কিছুটা মজা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাড়িতে বসে থাকা এবং অফিসের ছুটি করা ব্যক্তিদের কাছে। স্বভাবতই বাঙালি মন বৃষ্টির দিন উপভোগ করেছে আলু ডিম ভাজা ও খিচুড়িতে।


Tags

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad