রাতদিন ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে এর আগেও নেতাদের দলবদলি দেখেছে মানুষ। ফের সেই খবরই চাওড় হল। এবার সরাসরি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মুখে তৃণমূলের নেতাদের দল ছেড়ে দেওয়ার কথা শোনা গেল। বিষয়টি নতুন না হলেও বিষ্ফোরক মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর। সম্প্রতি তিনি বলেন, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন তৃণমূলের বিধায়ক অতীন ঘোষ। তাঁর সঙ্গে কলকাতার আরও ২-৩ জন তৃণমূল নেতারাও ছিলেন বলে দাবি করেন শুভেন্দু। দেখা-সাক্ষাতের এই পর্যায়ক্রম নাকি চলে কোলাঘাটের থার্মাল পাওয়ারের গেস্ট হাউসে। যদিও উল্লেখ্য ওই ২-৩ জন তৃণমূল নেতার নাম প্রকাশ করেননি তিনি। শুভেন্দুর দাবি, অতীন তাঁকে বলেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো যদি তাঁকে কাশীপুর-বেলগাছিয়ার টিকিট দিতে নারাজ হন, তবে তিনি বিজেপিতে যোগদান করে তাঁদের হয়ে লড়বেন। পরে কোনওভাবে অর্থাৎ প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে এই কথা কানে যায় তৃণমূল নেত্রীর বলেও দাবি করেন শুভেন্দু।
আর সেই কারণেই নাকি, মালা সাহা সহ তৃণমূলের তাবড় নেতা-নেত্রীকে সরিয়ে বিধানসভার ওই কেন্দ্র থেকে অতীনকেই দাঁড় করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দলের পক্ষ থেকে ।উল্লেখ্য, একুশের কাশীপুর-বেলগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্রে বিজয়ী হয়েছিলেন অতীন ঘোষ। বর্তমানে তিনি ওই কেন্দ্রের বিধায়ক পদে রয়েছেন, দায়ভার সামলাচ্ছেন কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়রের। স্বভাবতই বিধানসভা নির্বাচনের আগে অতীনের দল পরিবর্তনের কথা সামনে আসতেই তৃণমূলের দলের অভ্যন্তরে চাপা উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং যেহেতু কথাটা বিরোধী দলনেতার মুখে শোনা গিয়েছে তাই দলবদলের আশঙ্কার কথাও দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই বিষয়টিকে নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তর্জা তুঙ্গে উঠেছে। পদ্ম শিবিড়ের নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ওই ২-৩ জন তৃণমূল নেতার সমন্ধে বলেন, 'আমি ওদের নাম আজ বলতে চাই না, খোঁচালে বলব'।

