রাতদিন ওয়েবডেস্ক : শুক্রবার সকালে জলপাইগুড়ির ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে আদালতের বিচারক লক্ষ্য করেন আদালতের প্রবেশের মেইন গেটে তালা মারা। এই অবস্থায় নাজেহাল হয়ে তিনি প্রায় দু'ঘণ্টা সেখানে অপেক্ষা করেন। এরপর তিনি ভেতরে লক্ষ্য করে দেখেন সেখানে একটি "পুলিশ" লেখা বাইক রাখা আছে। এরপর উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায় বাইকটিকে কেন এবং ঠিক কি কারণের জন্য এইভাবে রেখে যাওয়া হয়েছেতা জানার জন্য। এই ঘটনার প্রায় ঘন্টাখানেক পর ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের বিচারক অপূর্ব কুমার ঘোষ রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয়ে চলে যান পুলিশ সুপারের অফিসে সেখানে তিনি একটি অভিযোগ দায়ের করেন বা বাইকটি সম্পর্কে। কিছুক্ষণ পর সেখানে পুলিশ আসে এবং অন্য একটি গেট খুলে ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের বিচারক অপূর্ব কুমার ঘোষ কে ভেতরে নিয়ে আসা হয়।
এরপর ওই বাইকের মালিক সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার জন্য মোটর ভেহিকাল বিভাগের পোর্টালে খোঁজ নেওয়া শুরু করেন। দেখা যায় বাইকটি সম্পর্কে অনলাইনে কোনরকম তথ্য নেই। এ বিষয়ে গোটা এলাকায় আরো উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অবশেষে কোনরকম উপায় না পেয়ে যখন পুলিশ বাইকটিকে বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যাচ্ছে ঠিক সেই সময় এমবিএফ কর্মী সদানন্দ দাস তিনি দাবি করেন বাইকটির মালিক তিনি। পাশের একটি প্রাণ সামগ্রী রাখার গোডাউনে তার ডিউটি ছিল বৃহস্পতিবার রাতের বেলা। তাই আদালতের মেইন গেট খোলা থাকায় তিনি বাইকটিকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আদালতের মধ্যেই বাইকটিকে রাখেন। এবং বাইকটি চুরি না হওয়ার জন্য তিনি তালা মেরে দেন আদালতের মেইন গেটে। এরপর ঘুম ভাঙতে বেজে যায় বেলা ১২টা ফলস্বরূপ এই রূপ বিপত্তি। তিনি আরো জানান এক মাছ বিক্রেতার কাছ থেকে তিনি কিনেছিলেন বাইকটি ওই মাছ বিক্রেতা সদানন্দ দাস কে এখনো কোন কাগজপত্র দেননি। এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপারের বক্তব্য বিষয়টি শুনেছেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

