রাতদিন ওয়েবডেস্ক : রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বহুদিন যাবৎ চলেছে আন্দোলন, চলেছে অনশনও। ঝড় বৃষ্টি মাথায় করে রাস্তায় বসে ছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। পেরিয়ে গিয়েছিল ৮০০ দিন। পর পর বেড়িয়ে আসতে থাকে রাজ্যের তাবড় নেতাদের নাম। এরপর বিষয়গুলি নিয়ে সুপ্রিমকোর্টের কাছে দারস্ত হন তাঁরা। একটি প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় জট কাটালেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। মামলা গিয়ে পড়ল কলকাতা হাইকোর্টের উপরেই। প্রায় ১৪ হাজার ৫২ জন উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় নির্দেশ দেবে কলকাতা হাইকোর্টই ।
উল্লেখ্য, শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই জটিলতা কাটলো বলেই ধারণা অনেকের। গত ২৮ শে আগস্ট এই বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ ছাড় ছাড়পত্র দিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশনকে। সেইমতো নিয়োগ নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেয়া হয় ২১ শে নভেম্বরের মধ্যে । এদিকে চাকরিপ্রার্থী রাজীব ব্রহ্মসহ অন্যান্য চাকরিপ্রার্থীরা পাল্টা অভিযোগ আনেন কলকাতা হাইকোর্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ অবৈধ সংরক্ষণ নীতি পরিপন্থী হয়েছেন তাঁরা। সমস্ত জট কাটিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ তারা মামলাটির বিষয় কোনো রকম হস্তক্ষেপ করবে না । প্রসঙ্গতা ২০১৫ সাল থেকে বিভিন্ন আইনজট থাকার দরুন থমকে রয়েছে নিয়োগ পদ্ধতি।

