রাতদিন ওয়েবডেস্ক: পুজো মিটতে না মিটতেই জ্বরের কবলে শহরের প্রতিটি ঘর। জ্বর সর্দি কাশি তে ভুগছেন বহু মানুষ। জ্বরের কারণে শরীরের প্রতিরোধ কমছে। প্রায় ভাইরাল ফিভার বলা যায় একে, কারণ পরিবারের একজন এই জ্বরে আক্রান্ত হলে বাকিরা অক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। এমন পরিস্থিতিতে ভাইরাসের প্রকোপ থেকে নিজেকে বাঁচাতে কী করবেন? । পুজোর মধ্যে বৃষ্টি হয়েছে এবং তার পরেও বৃষ্টি হয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে। মাঝরাতে ভোরের দিকে বেশ ঠান্ডা হাওয়া বইছে বঙ্গে। যদিও বৃষ্টিতে ভেজার কারনে ওই বৃষ্টিতে ভিজেও অনেকের সিজেনাল ফ্লু হয়েছে তার উপরে দোসর হয়ে বসেছে ঋতুবদল। ভাইরাসকে রোধ করতে হবে এই অক্টোবর নভেম্বর দুটি মাস পরের শিফট পড়ে গেলে এই জ্বরের থেকে কিছুটা হলেও রেহাই মিলবে।
কি ভাবে এড়াবেন এই ভাইরাসঘটিত জ্বর?
সাধারণভাবে সিজনাল ফ্লু কমাতে প্যারাসিটামলেই কাজে দেয়। সঙ্গে পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং যথেষ্ট পরিমাণ জল খাওয়া জরুরি এই সময়ে। কারণ ডিহাইড্রেশনে বেড়ে ভাইরাল জ্বর। এর পাশাপাশি আরও কয়েকটি জিনিস নিয়ম মানলে উপকার মিলতে পারে। ভাইরাস ঘটিত এই জ্বর সংক্রামক হতে পারে তাই নিজেকে এবং অন্যকে বাঁচাতে মাস্ক করতে পারেন। সঙ্গে যে ব্যক্তি আক্রান্ত নন তিনিও যদি মাফ করেন তবে রেহাই মিলবে তার এই সংক্রামক জ্বর থেকে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার কিছু বিধি যেমন হাত ধোয়া স্যানিটাইজ করার মতন কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। জনবহুল জায়গা গুলি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে হবে। সঙ্গে মনে রাখবেন বৃষ্টি কিন্তু ভাইরাস জ্বরকে বাড়ি দিতে পারে। দুর্ভাগ্যবশত অসময়ে বৃষ্টির জলে মাথা ভিজলে সঙ্গে সঙ্গে গরম জলে স্নান করে নিতে হবে। এসি থেকে গরমে বা গরম জায়গা থেকে এসি ঠান্ডায় ঢুকলে এই জ্বর জাঁকিয়ে বসতে পারে। নিজের শরীরকে এই জ্বর থেকে বাঁচাতে পুষ্টিকর খাদ্য যেমন ফল এবং অন্যান্য খাবার খেতে পারে পর্যাপ্ত জল এ ক্ষেত্রে খুবই প্রয়োজন । প্রয়োজনে বাজার থেকে নিমোভ্যাক ইনফ্লোভ্যাকের মতো বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টি ভাইরাল ভ্যাকসিন নিয়ে নিতে পারেন। আগে থেকে প্রতিষেধক নিয়ে রাখলেও জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে।

