রাতদিন ওয়েবডেস্ক : একের পর এক ঘূর্ণিঝড় দেখছে গোটা দুনিয়া। একদিকে যখন ঘূর্ণিঝড়ের সম্মুখীন হয়ে গিয়েছে বাংলা এবং ওড়িশা । সঙ্গে সঙ্গে বাইরের দেশ ফিলিপিন্সও সম্মুখীন হয়েছে ঘূর্ণিঝড় 'ত্রামি'-র। বঙ্গে ' ডানা'-র প্রভাব জোরদার না হলেও ফিলিপিন্সের ঘূর্ণিঝড়ের দরুন নৃত্য শতাধিক পেরিয়ে গিয়েছে। রবিবার সকাল পর্যন্ত সুত্র অনুযায়ী জানা যায় এখনো পর্যন্ত দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ওই দেশে মৃত্যু সংখ্যা ঠেকেছে ১৩০- এ। পরবর্তীকালে এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলেও জানা গিয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলে এই ঝড়টিকে দক্ষিণ পূর্বে এশিয়ার সবচেয়ে বেশি বিধ্বংসী ঝড়ের তালিকায় ফেলা হয়েছে চলতি বছরের নিরিখে।
বন্যার জল জমে থাকার কারণে ত্রাণ পৌঁছতে সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফিলিপিন্ডের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস। তবে যথাসম্ভব চেষ্টা করা হচ্ছে বন্যায় কবলিত মানুষদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরিত করার। সরকারি সূত্র অনুযায়ী, ঝড়ের গতিপথে ছিল ৫ মিলিয়ন লোক থাকার সম্ভাবনা ছিল। অন্যদিকে বেসরকারি সূত্র অনুযায়ী মৃত নিখোঁজের সংখ্যা ১৩০ পার করেছে ইতিমধ্যেই। যদিও যথেষ্ট পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গিয়েছে আগে থেকে নেওয়া পদক্ষেপের ফলে। এই মুহূর্তে যদি ঝড়ের অভিভাবক না বদলায় তবে ভিয়েতনামও 'ত্রামি'-র দাপটে খান খান হয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের।

