Type Here to Get Search Results !

Modi’s Jhalmuri Buying : ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে মোদি-কে কটাক্ষ মমতা ব্যানার্জীর

রাতদিন ওয়েবডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আবহে ঝাড়গ্রামে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঝালমুড়ি খাওয়া ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। প্রচার কর্মসূচির ফাঁকে হঠাৎ করেই একটি স্থানীয় দোকানে থেমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলতে বলতে ঝালমুড়ি খান তিনি, যা দ্রুতই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই কটাক্ষ ছুড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। তিনি অভিযোগ করেন, এই ধরনের পদক্ষেপ আসলে “নাটক” ছাড়া কিছুই নয় এবং ভোটের আগে সাধারণ মানুষের মন জয় করার জন্যই এই ধরনের প্রচারমূলক আচরণ করা হচ্ছে। 

তাঁর বক্তব্য, বাস্তবে মানুষের সমস্যার সমাধান না করে এই ধরনের প্রতীকী পদক্ষেপের মাধ্যমে সহানুভূতি অর্জনের চেষ্টা করছে কেন্দ্রের শাসকদল। উল্লেখ্য, ঝাড়গ্রাম সফরে একাধিক সভা করার পরই প্রধানমন্ত্রীর এই ঝালমুড়ি বিরতির ঘটনা সামনে আসে, যেখানে তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সঙ্গে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করেন, যা বিজেপির তরফে ‘জনসংযোগ’-এর অংশ হিসেবেই তুলে ধরা হয়েছে। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, এই পুরো ঘটনাই পরিকল্পিত এবং এটি সাধারণ মানুষের আবেগকে প্রভাবিত করার একটি রাজনৈতিক কৌশল। শুধু তাই নয়, তৃণমূলের দাবি, এই সফরের কারণে অন্য রাজনৈতিক কর্মসূচিরও বিঘ্ন ঘটেছে এবং বিরোধীদের প্রচারে প্রভাব পড়েছে। অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে পাল্টা দাবি করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে চান এবং স্থানীয় সংস্কৃতি ও খাদ্যের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করাই তাঁর উদ্দেশ্য। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, যেখানে একদিকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর চেষ্টা, অন্যদিকে তা নিয়ে বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা দুই পক্ষের এই বাকযুদ্ধ নির্বাচনী লড়াইকে আরও তীব্র করে তুলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের প্রতীকী ঘটনাগুলি ভোটের আগে জনমনে প্রভাব ফেলতে পারে, তাই রাজনৈতিক দলগুলি তা নিয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে এবং প্রতিটি পদক্ষেপকেই নিজেদের সুবিধামতো ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad