রাতদিন ওয়েবডেস্ক : সামনেই আসন্ন বিধানসভা, হাতে মাত্র আর কয়দিন বাকী সেই কথা মাথায় রেখে প্রত্যেক দল যে যার নিজের মতো করে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। তেমনই রবিবার দিন সকালে সল্টলেক এর রাস্তায় প্রচারপর্ব তে চোখে পড়ার মতো ছিল। রাস্তার দুপাশে চোখে পড়ার মতো ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ঘাসফুলের বড়ো বড়ো ঝান্ডা, রঙিন বেলুন, তার মাঝখানে ধীর গতিতে এগিয়ে চলছে জিপ। জিপ এর উপরে দাঁড়িয়ে হাত নাড়াতে দেখা গেল সল্টলেক চারবারের বিধায়ক সুজিত বসু।
হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে তিনি জনবাসীর উদ্দেশ্য বলেন, আপনারা সবাই কেমন আছেন? শরীর ভালো আছে তো? এই সব বলতে বলতে মাইক্রোফোন হাতে তিনি তার প্রচার পর্ব দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। রবিবার ছুটির দিনে সল্টলেক বাসীর মানুষেরা জমজমাট ভোট প্রচারের সম্মুখীন হয়েছে। তিনি পরপর চারবার জয়ী হয়েছেন। সুতরাং পঞ্চমবারের মতো তার জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বিধাননগর বিধানসভার তৃণমূলের প্রার্থী। তিনি ওই অঞ্চলের মানুষের একমাত্র ভরসা , ফলে মানুষ এখন তার প্রতি যথেষ্ট আস্থা রাখছেন। রবিবার দিন সকালে সল্টলেক ২নম্বর ব্লকে সুজিত বসু জড়ো হন, এরপর পার্টিতে উপস্থিত সকল সদস্য বৃন্দ ধীরে ধীরে উপস্থিত হতে শুরু করে , এরপর শুরু হয় রোড় শো। শেষ হয় বৈশাখীতে গিয়ে। জানোয়ার ছিল বিপুল। সুজিত বসু বলেন, সাধারণ মানুষ পাশে আছেন তিনি নিশ্চিত যে, জনগণ তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন। উল্টোদিকে এই দিনেই সিপিএম নেতা সৌমজিৎ রাহা সকাল ৮ টা নাগাদ ভোট প্রচারে কাজ শুরু করেন , তিনি একদিকে যেমন তৃণমূলের বিরোধীতা করেন , ঠিক তেমন বিজেপির বিরোধীতার বিরুদ্ধে মুখ খোলেন। তিনি ঐক্যবদ্ধ থাকার কথা বলেন। এলাকার বহু মানুষ তাকে সম্মানের সাথে বরণ করে নেন শুধু তাই নয় কেউ তাকে ফুলের মালা পরিয়ে আমন্ত্রণ জানান। জনগণের এই উচ্ছাস দেখে তিনি অত্যন্ত খুশি হয়েছেন এবং বলেন যে, তিনি যথেষ্ট আশাবাদী মানুষ এইভাবেই আমাদের পাশে থাকলে তাদের দল জিতবে এমনটাই মন্তব্য করেন। এই একই দিনে প্রচার সারেন রাজারহাট গোপালপুরের বিজেপি প্রার্থী তরুণজ্যোতি তেয়ারি এবং রাজারহাট নিউটাউনের বিজেপি প্রার্থী । যদিও তাদের প্রচারে কিছুটা উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূল প্রার্থীরা দ্বন্দ্ব করতে থাকে । তা নিয়ে দুই দলের মধ্যে সমঝোতা বা মারামারি লাগে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে রবিবার দিন টান টান উত্তেজনা ছিল শহর কলকাতায়। একই দিনে তিন দল তিন রকম ভাবে প্রচার চালায়। ফলে রবিবার সকাল থেকে শহর কলকাতায় টান টান উত্তেজনা ছিল। এবার দেখার বিষয় ভোটের দিন শহর কলকাতায় পরিস্থিতি ঠিক কেমন হবে সেই দিকে তাকিয়ে গোটা শহরবাসী । ভোট প্রচারে ফল নিয়েও দেশের মানুষ থেকে শুরু করে সবদলের সদস্যদের মধ্যে টান টান উত্তেজনা থাকবে।

