রাতদিন ওয়েবডেস্ক : চেন্নাই-রাজাস্থানের লড়াইয়ে যদি মহেন্দ্র সিং ধোনি খেলতেন তাহলে তিনি থাকতেন আকষর্ণের কেন্দ্রে। সপ্তাহ দু'য়েক সময় লাগবে মাহির মাঠে নামতে, জানিয়ে দিয়েছেন সিএসকে। ধোনির অবর্তমানে সবচেয়ে বেশি চচা সঞ্জু স্যামসন ও রবীন্দ্র জাদেজাকে ঘিরে। তাঁদের মধ্যে ঘটেছে দলের অদলবদল। রাজস্থান রয়্যালসে খেলতেন সঞ্জু। দীর্ঘদিন নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি। চেন্নাই সুপার কিংস এখন তাঁর নতুন ঠিকানা। রাজস্থানের গোলাপি জার্সিতে দেখা যাবে রবীন্দ্র জাদেজাকে।সিএসকে'র সেকেন্ড ইন কমান্ড একটা সময় তাঁকে মনে করা হত।
ধোনির পর অধিনায়ক হিসেবেও জাড্ডুকে ভাবা হয়েছিল। কিন্তু সেটা হয়নি, চেন্নাই ছেড়ে শেষ পর্যন্ত রাজস্থানে যোগ দিয়েছেন তিনি। দুই তারকার নতুন পথ চলা কেমন হবে, সেটাই দেখার। উভয় শিবিরকেই চিন্তায় রাখছে বৃষ্টি। চেন্নাই-রাজস্থান এখনও পর্যন্ত মুখোমুখি হয়েছে ৩২বার। ১৬বার করে দুই দলই জিতেছে। তাই সোমবার একে অপরকে চাপিয়ে যাওয়ার লড়াই। হলুদ জার্সিধারীরা খেতাব জিতেছেন পাঁচবার। সেই তুলনায় রাজস্থান অনেক পিছিয়ে। ২০০৮ সালে খেতাব জয়ই তাদের একমাত্র সাফল্য হয় শেন ওয়ার্নের নেতৃত্বে। বাকিটা শুধুই হতাশার কারন। তবে এবারে রাজস্থান দলের ভারসাম্য দারুণ। খুবই শক্তিশালী ব্যাটিং।বৈভব সূর্যেবংশীর মতো মারকুটে তরুণ ক্রিকেটার শুরুতে রয়েছে। ১৫ বছরের ওপেনার গত আইপিএলে সাড়া ফেলেছিলেন। যশস্বী জয়সওয়ায় ইনিংসে শুরুতে তার সঙ্গী হতে পারেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়ায় যশস্বী কোটিপতি লিগে ফোকাসে আসতে ভালো খেলতে চাইবেন। রিয়ান পরাগ তিনে নামতে পারেন। অধিনায়ক হিসেবে তাঁর কাঁধে একটু বেশি দায়িত্ব। ধ্রুব জুয়েল রয়েছেন মিডল অর্ডারে। অলরাউন্ডার আগমনে শক্তিশালী হয়েছে দল। রাজস্থানের বড় ভরসা জোফ্রা আচার, দারুন শানাকা, সন্দীপ শর্মা। চমক দিতে পারেন স্পিনার রবি বিষ্ণোইও। গত আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংস চরম হতাশ করেছিল। সেই অধ্যায় ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে চাই এবার তারা ঋতুরাজের নেতৃত্বে। ব্যাটিং শক্তিশালী হয়েছে সঞ্জু স্যামসন আসায়। ঋতুরাজের সঙ্গে ওপেন করবেন তিনি। শেষ মুহূর্তে ব্রেভিসের চোট পাওয়া চেন্নাইকে আরও বিপাকে ফেলেছে। কোচ ফ্লেমিংকে শিবম দুবের উপর আরও বেশি ভরসা করতে হবে। খলিল আহমেদ ও জেমি ওভারটন বড় ভরসা। নুর আহমেদ সঙ্গে খেলতে পারেন স্পিনার রাহুল চাহারের।

