রাতদিন ওয়েবডেস্ক : ক্ষমতার শেষ বছরে বিদেশ থেকে ৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ নিয়েছে ইউনূস সরকার, যা দেশের সামগ্রিক ঋণচাপ আরও বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এই ঋণ পরিশোধে ভবিষ্যতে বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ১১৩.৫১ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৪ লাখ কোটি টাকা)। এর মধ্যে সরকারি খাতে প্রায় ৯৩ বিলিয়ন এবং বেসরকারি খাতে ২০ বিলিয়নের বেশি ঋণ রয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা, অর্থনৈতিক ফেরত এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সক্ষমতা বিবেচনা করা জরুরি। তা না হলে এই ঋণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। এছাড়া রাজস্ব আদায় দুর্বল থাকায় বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। তাই কর ফাঁকি ও দুর্নীতি রোধ করে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে দেশের বৈদেশিক ঋণ ছিল মাত্র ২৩ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি, যা বর্তমানে কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

