Type Here to Get Search Results !

Legal Battle : আবগারি মামলায় কেজরীওয়ালদের খালাস চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে সিবিআই, ৯ মার্চ শুনানি

 রাতদিন ওয়েবডেস্ক : দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আর্ভিন্ড কেজরিওয়াল , প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মানিষ সিসোডিয়া -সহ ২১ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ইতিমধ্যেই দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সেন্ট্রাল বুরেও অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)। আগামী ৯ মার্চ, সোমবার দিল্লি হাই কোর্টে এই মামলার শুনানি হবে।শুক্রবার রাউস অ্যাভিনিউ আদালত আবগারি মামলায় কেজরীওয়াল ও সিসৌদিয়াদের অব্যাহতি দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, গুরুতর অভিযোগ প্রমাণ করতে জোরালো তথ্যপ্রমাণ প্রয়োজন। কিন্তু সিবিআই তেমন প্রমাণ দাখিল করতে পারেনি। কেজরীওয়ালের ক্ষেত্রে আদালত জানায়, তাঁকে মূল চক্রান্তকারী বলা হলেও তার পক্ষে যথেষ্ট তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।

 সিসৌদিয়ার ক্ষেত্রেও অপরাধমূলক আচরণের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় এমন প্রমাণের অভাবের কথা উল্লেখ করেন বিচারক জিতেন্দ্র সিংহ।তবে নিম্ন আদালতের এই রায়ে সন্তুষ্ট নয় সিবিআই। সূত্রের খবর, তদন্তকারী সংস্থার দাবি— মামলার কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক হয় উপেক্ষা করা হয়েছে, নয়তো যথাযথ ভাবে বিবেচনা করা হয়নি। সেই কারণেই দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন জানানো হয়েছে। বিচারপতি স্বর্ণকান্ত শর্মা আগামী ৯ মার্চ এই মামলার শুনানি করবেন।প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের নভেম্বরে দিল্লির তৎকালীন আপ সরকার নতুন আবগারি নীতি চালু করে। সেই নীতিতে সরকারি মদের দোকান বন্ধ করে বেসরকারি দোকানগুলিকে লাইসেন্স দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। রাজধানীর ৩২টি অঞ্চলে মোট ৮৪৯টি নতুন মদের দোকান খোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

 সিসৌদিয়া দাবি করেছিলেন, এতে কালোবাজারি কমবে এবং রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে।কিন্তু নীতি কার্যকর হওয়ার পরই লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। বিরোধীদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট ব্যবসায়ীদের সুবিধা পাইয়ে দিতে নীতি বদল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিনাই কুমার সাক্সেনা সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেন। তদন্ত শুরু করে সিবিআই। পরবর্তী সময়ে এই মামলায় গ্রেফতার হন কেজরীওয়াল ও সিসৌদিয়া। পরে তাঁরা জামিনে মুক্তি পান। পাশাপাশি মামলার তদন্তে যুক্ত হয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর -ও।নতুন আবগারি নীতি চালুর প্রায় আট মাসের মাথায় তা প্রত্যাহার করে দিল্লি সরকার। এরপর থেকেই মামলাটি রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে।এখন নজর ৯ মার্চের দিকে। হাই কোর্ট নিম্ন আদালতের নির্দেশ বহাল রাখবে, না কি সিবিআইয়ের আবেদন গ্রহণ করে নতুন করে শুনানির নির্দেশ দেবে— সেই সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে মামলার পরবর্তী গতিপথ। দিল্লির রাজনৈতিক মহলেও এই শুনানিকে ঘিরে কৌতূহল তুঙ্গে।

Tags

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad