রাতদিন ওয়েবডেস্ক : গাজর খাওয়ার আগে খোসা ছাড়িয়ে নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। অনেকেই খোসাসহ গাজর খান। তবে একটি শর্ত আছে। গাজর যেহেতু মাটির নিচে জন্মায়, তাই খোসা না ছাড়িয়ে ভালো করে ধুয়ে নিলেই চলে।গাজরের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলস। বিশেষ করে ভিটামিন এ, কে, বি৬, পাশাপাশি পটাশিয়াম ও বায়োটিনের মতো খনিজ। এর অনেকটাই আসলে থেকে যায় খোসার মধ্যে।
ফলে খোসা ফেলে দেওয়ার মাধ্যমে শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান নষ্ট হয়।গাজর খাওয়ার উপকারিতা অনেক। গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, যা চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে। এছাড়া, ভিটামিন বিটা ক্যারোটিয়ান লিভারে ভিটামিন এতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। গাজর লিভারকে সুস্থ রাখে, শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। লিভারে থাকা হিমায়িত ফ্যাট হ্রাস করে। লিভারের প্রদাহ, ফোলা, সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।গাজর খাওয়ার আরো কিছু উপকারিতা রয়েছে। গাজর কাঁচা, সেদ্ধ, ভাজা সবভাবেই খাওয়া যায়। গাজরের জুসও খুব উপকারী। গাজরের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে।
গাজর খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়, বলিরেখা দূর হয়। চুল ও নখের সুরক্ষা দেয়।তবে, অতিরিক্ত গাজর খেলে কিছু সমস্যা হতে পারে। গাজরে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, যা অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে ত্বকের রঙ হলুদ হয়ে যেতে পারে। এছাড়া, গাজর খেলে পেট ব্যথা, গ্যাস, ডায়রিয়ার মতো সমস্যাও হতে পারে।গাজর খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া উচিত। খোসা ছাড়ানোর প্রয়োজন নেই, তবে খোসা ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। গাজর রান্না করে খাওয়া যায়, আবার কাঁচাও খাওয়া যায়। গাজরের জুসও খুব উপকারী।গাজর খাওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে।
প্রতিদিন এক থেকে দুইটি মাঝারি আকারের গাজর খাওয়া উচিত। গাজর খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো, বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।গাজরের খোসাও খুব উপকারী। গাজরের খোসা ভেজে খাওয়া যায়, আবার স্মুদি বা জুসেও ব্যবহার করা যায়। গাজরের খোসা শুকিয়ে মাটিতে মিশিয়ে দিলে তা প্রাকৃতিক সার হয়ে যায়।সবশেষে, গাজর খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া উচিত। খোসা ছাড়ানোর প্রয়োজন নেই, তবে খোসা ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। গাজর রান্না করে খাওয়া যায়, আবার কাঁচাও খাওয়া যায়। গাজরের জুসও খুব উপকারী।

