রাতদিন ওয়েবডেস্ক : বিয়ে আর সম্পর্কের প্রস্তুতি যেমন উত্তেজনাপূর্ণ, তেমনই ব্যক্তিগত চাহিদা ও প্রথার বিষয়টিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। অভিনেতা রণজয় বিষ্ণু এবং নায়িকা শ্যামৌপ্তি মুদলির বিয়ের মুহূর্ত আগেই আলোচনার কেন্দ্রে। রাত পোহালেই তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন। যদিও দু’জনই কখনও ভাবেননি যে তাঁদের সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত পৌঁছাবে, সেই বাস্তবতা এখন সামনে। তবে বিয়ের আগে শ্যামৌপ্তির এক বিশেষ চাহিদা সকলের মনোযোগ কেড়ে নিয়েছে।কথায় আছে, সিঁদুরদানের সময়ে কনের নাকে সিঁদুর পড়লে স্বামীর ভালোবাসা হয় অগাধ। বিয়ের আগে এই প্রথা অনুযায়ী অনেক কনেই তাদের হবু স্বামীর কাছে একই দাবি জানায়।
শ্যামৌপ্তি এবং রণজয়ও এর ব্যতিক্রম নয়। শ্যামৌপ্তি জানিয়েছেন, “অভিনেতাকে বিয়ে করছি। আশা তো থাকবেই, ভালভাবে সিঁদুর পরাবে।” সত্যিই, ধারাবাহিকে অভিনয় করার সময়ও তাঁরা বহুবার বিয়ের দৃশ্যে অভিনয় করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা এখন বাস্তব জীবনে রূপ নিয়েছে। নায়িকা মনে করেন, নাকে সিঁদুর পড়লে দেখতে সুন্দর লাগে এবং এটি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে আরও মধুর করে।কিন্তু শুধু সিঁদুর নয়, শ্যামৌপ্তির আরও একটি শর্ত আছে। তিনি চান, রণজয় বিয়েতে টোপর পরবেন না। যদিও বিষয়টি খোলসা হয়নি, তবে এটি নায়িকার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এতে বোঝা যায়, ব্যক্তিগত পছন্দও বিয়ের প্রথার পাশাপাশি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের প্রথম আলাপ ‘গুড্ডি’ ধারাবাহিকের সেটেই। প্রথমে শ্যামৌপ্তি রণজয়কে খুব বেশি পছন্দ করতেন না। তবে ধীরে ধীরে তাদের বন্ধুত্ব প্রেমে রূপ নিলে এবং এখন সেই সম্পর্ক বিয়েতে পৌঁছেছে।এছাড়া, রণজয়ও তাঁর প্রেমিকাকে ভালোবাসার সঙ্গে আগলে রাখার জন্য সবসময় প্রস্তুত। শ্যামৌপ্তির প্রতি তাঁর মনোভাব এবং তাদের পারস্পরিক বোঝাপড়া এই বিয়েকে আরও সুন্দর ও স্মরণীয় করে তুলেছে। বিয়ের দিনটি শুধু একটি সামাজিক অনুষ্ঠান নয়, বরং তাদের সম্পর্কের বিশেষ মুহূর্তও।সংক্ষেপে, রণজয় ও শ্যামৌপ্তির বিয়ে শুধুই রীতিনীতি পালন নয়। এটি ব্যক্তিগত চাহিদা, প্রথা ও সম্পর্কের মিশ্রণ। শ্যামৌপ্তির নাকে সিঁদুর পড়া, টোপর না পরা এসব ছোট ছোট চাহিদা ও পছন্দ এই মুহূর্তটিকে আরও প্রাণবন্ত ও ব্যক্তিগত করেছে। নতুন জীবন শুরু করতে যাওয়ার আগে এই মুহূর্তগুলো তাদের জন্য বিশেষ ও স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাদের প্রেম ও বোঝাপড়া দর্শকদের জন্যও রূপকথার মতো মনে হবে।

