রাতদিন ওয়েবডেস্ক : আইনি বিয়ের পর থেকেই একসঙ্গে সংসার পাতেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা মিত্র ও অভিনেতা শুভ্রজিৎ সাহা। তাই বিয়ের পর কলকাতার বাড়িতে ফিরে খুব একটা নতুনত্ব অনুভব করছেন না প্রিয়াঙ্কা। তবে শিলিগুড়িতে বৌভাতের অনুষ্ঠানে গিয়েই নাকি প্রথমবার ‘নতুন বউ’ হওয়ার আবহটা মন থেকে উপলব্ধি করেছেন তিনি।এখনও এক মাসও পূর্ণ হয়নি তাঁদের বিয়ের। শুভ্রজিৎ শিলিগুড়ির বাসিন্দা হওয়ায় বৌভাতের আয়োজন হয়েছিল সেখানেই। আত্মীয়-স্বজনদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান মিটিয়ে বেশিক্ষণ বিশ্রামের সুযোগ পাননি নবদম্পতি। কারণ, বৌভাতের পরের দিনই ট্রেনে করে কলকাতায় ফিরতে হয় তাঁদের। শুরু হয়ে গিয়েছিল শুভ্রজিতের শুটিং।
বর্তমানে তিনি ধারাবাহিক ‘শুধু তোমারই জন্য’-এর মাধ্যমে ছোটপর্দায় নতুনভাবে কাজ শুরু করেছেন। অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কা আপাতত কয়েক দিনের বিরতিতে রয়েছেন।নতুন সংসার কেমন চলছে? এই প্রশ্নে প্রিয়াঙ্কার জবাব, আইনি বিয়ের পর থেকেই তাঁরা একসঙ্গে থাকেন। ফলে কলকাতার বাড়িতে আলাদা করে তেমন পরিবর্তন নেই। আগের মতোই দু’জনের ছোট্ট সংসার। তবে শিলিগুড়িতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির সবার যত্ন আর নজরে রাখার মধ্যেই নতুন বউ হওয়ার বিশেষ অনুভূতিটা পেয়েছেন তিনি। সেখানে যেন আলাদা করে আদর-আপ্যায়ন আর খেয়াল রাখা হয়েছে তাঁকে নিয়ে। কলকাতায় ফিরে আবার স্বাভাবিক ছন্দেই দিন কাটছে।প্রিয়াঙ্কা হাসতে হাসতেই জানান, একমাত্র দৃশ্যমান বদল বলতে এখন তাঁর হাতে শাঁখা-পলা ও সিঁথিতে সিঁদুর। সংসারের কাজকর্ম বা রুটিনে বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। বরং কাজের ব্যস্ততার মাঝেও তাঁদের সম্পর্কের উষ্ণতাই বেশি নজরে পড়ছে।শুটিংয়ের কারণে শুভ্রজিৎ বেশিরভাগ সময় বাইরে থাকলেও একাকিত্বের সুযোগ পান না প্রিয়াঙ্কা। তাঁর কথায়, স্বামী নাকি এক মিনিটও তাঁকে একা থাকতে দেন না। শুটিং ফ্লোরে শটের ফাঁক পেলেই ভিডিও কল বা ফোন করেন। এমনকি কথা বলার মাঝেও একাধিকবার ফোন আসে শুভ্রজিতের। ফলে দূরত্ব থাকলেও যোগাযোগে কোনও ঘাটতি নেই। নিজের সময় কাটাতে শরীরচর্চা ও অন্যান্য কাজে ব্যস্ত থাকেন অভিনেত্রী।এখন দর্শকের কৌতূহল কবে কাজে ফিরছেন প্রিয়াঙ্কা? অভিনেত্রীর ইঙ্গিত, খুব শিগগিরই নতুনভাবে পর্দায় দেখা যাবে তাঁকে। শুধু ধারাবাহিক নয়, বড় মাপের প্রজেক্টেও কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ বিয়ের আনন্দের পাশাপাশি কেরিয়ারেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রেখেই নতুন অধ্যায়ে এগোচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা ও শুভ্রজিৎ।
