রাতদিন ওয়েবডেস্ক : শীতকালে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে এটি সহজেই সম্ভব।শীতকালে আমাদের শারীরিক পরিশ্রম কিছুটা কমে যায় এবং মিষ্টি বা ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
এই সময়ে পেয়ারা অত্যন্ত কার্যকরী একটি ফল কারণ এতে থাকা প্রচুর পরিমাণ ফাইবার এবং কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স রক্তে চিনি শোষণের গতি ধীর করে দেয়, যা হঠাৎ সুগার বেড়ে যাওয়া রোধ করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি আপেল একটি অনন্য ফল যার খোসায় থাকা পলিফেনল অগ্ন্যাশয়কে উদ্দীপিত করে ইনসুলিন নিঃসরণে সহায়তা করে, ফলে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক থাকে। লেবু জাতীয় ফল যেমন কমলালেবু বা মুসাম্বি ভিটামিন-সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর থাকে যা ডায়াবেটিক রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি রক্তনালীর স্বাস্থ্য ভালো রাখে।শীতকালীন এই ফলগুলোতে থাকা প্রাকৃতিক জলীয় অংশ শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, ফলে অসময়ে ভাজাপোড়া বা চিনিযুক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছা কমে যায়। তবে ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে রস বা জুস না করে সরাসরি চিবিয়ে খাওয়া বেশি উপকারী, কারণ এতে ফাইবারের গুণাগুণ বজায় থাকে। এছাড়া শীতের ঠান্ডা আবহাওয়ায় রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে বলে অতিরিক্ত নুন এড়িয়ে চলা এবং এই ফলগুলো নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা হৃদযন্ত্রের জন্যও সমানভাবে উপকারী। মূলত প্রাকৃতিক শর্করা এবং প্রয়োজনীয় খনিজের এই সমন্বয় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য শীতের দিনগুলোতে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।

