রাতদিন ওয়েবডেস্ক : সঙ্গীতাকে সামনে রেখে উপনির্বাচনে জোরদার প্রচার চালাচ্ছেন শশী পাঁজা। ১৩ নভেম্বর কোচ বিহারের সিতাই উপনির্বাচন। এবারে ওই বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন সঙ্গীত রায়। একুশের ভোটে হেরে যাওয়ার পর কেন্দ্রের বঞ্চনা সহ্য করতে হয়েছে বাংলাকে। এরপর যাতে তাঁরা এই বঞ্চনার সুযোগ না পান সেই দিকে নজর রেখে সিতাই উপনির্বাচনে রেকর্ড স্থাপন করে ফের বিজেপিকে জবাব দিতে হবে বলে প্রচার শুরু করেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। যদিও পালটা রাজ্যকে বঞ্চনা করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। উল্টে তাদের দাবি, বাংলার উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় সাহায্যের কোনো রকম হিসেব দিতে না পারায় তাদের ভাগের টাকাআটকে রয়েছে। বিরোধী দলের বিধায়কদের সঙ্গে যারা বিরূপ সম্পর্ক রাখেন তাদের মুখে বঞ্চনার কথা মানায় না বলেও জানিয়ে দেন বিজেপি বিধায়ক নিখিলরঞ্জন দে। অন্যদিকে, বাংলায় নারীদের অধিকারের জন্য নারী মুখ কেই প্রধান করতে চেয়েছেন তিনি।

এদিকে উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন উন্নয়ন মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে, তাই শাকদলকে ভোট না দিলে বেআইনি করা হবে। ২০২৪ এর উপ নির্বাচনে সিতাই বিধানসভা কে টার্গেট করে এদিন দুটি সভা করে তৃণমূল। এদিন বিজেপিকে কটাক্ষ করে রাজ্যে শিশু ও নারী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, বাংলায় ১০০ দিনের কাজের টাকা, আবাস যোজনা ও উন্নয়নের টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র। নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর থেকেই নাকি এরকম আচরণ বিজেপির। তবে তিনি আরো যোগ করেন দিল্লি থেকে বঞ্চনা করা হলেও বাংলার মানুষ নির্বাচনে তাদেরকে যোগ্য জবাব দিয়েছে । এদিন প্রচারে তিনি সিতাইয়ের মানুষের হয়ে বলেন, সুযোগ এসেছে তৃণমূলকে বিপুল জনসমর্থনের মাধ্যমে ভোটে জিতিয়ে পদ্ম শিবিরকে যোগ্য জবাব দিতে হবে । নারী শক্তিকে জয়ী করে ইতিহাস তৈরি করুন কোচবিহারের বুকে। সঙ্গীতা রায় জিতলে তিনি প্রথম মহিলা প্রতিনিধির যিনি কোচবিহার থেকে বিধানসভায় যাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
