রাতদিন ওয়েবডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় 'ডানা'কে রোধ করতে সমস্ত রকম উদ্যোগ লাল বাজারের। এর আগে ' আমফান ' 'বুলবুল' ও ' ফনি' দেখেছে বাংলা। এখন ' ডানা' - র হানা যাতে কোন প্রকারে রাজ্যে তাণ্ডপ চালাতে না পারে সেই দিক কথা মাথায় রেখে সবরকম প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘন্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ডানা আছে করবে বলে আশঙ্কা। ঝড়ো হওয়ার দাপটে গাছ উল্টে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে এর সঙ্গে দোসর হয়েছে দুর্গাপুজো ও কালীপুজোয় তৈরি, মণ্ডপগুলি ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির সামাল দেওয়ার কথা মাথায় রেখে কলকাতার পুলিশের ২৬ টি ট্রাফিক গার্ডের পুলিশ কর্মীদের নিয়ে আলাদা একটি দল তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছে লালবাজার, সেইসঙ্গে নিজেদের যাতে সুরক্ষিত রাখেন তাঁর সেই নির্দেশকও দেওয়া হয়েছে।
ঝড় বৃষ্টি সময় তারা যাতে নিরাপদ জায়গা সহ কোনরকম গাছ বা অস্থায়ী কাঠামোর নিচে আশ্রয় না নেয় তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২৬ জন ট্রাফিক গার্ডকে নিয়ে তৈরি ওই দলের কাছে থাকবে গাছ কাটার সরঞ্জামও । ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গ দেবেন বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও। পুলিশের গাড়ি থাকবে খোলা আকাশের নিচে। বৃষ্টির জল জমে যাওয়ার কারণে যে সমস্ত জায়গায় বন্যা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে সেই সমস্ত জায়গা গুলিতে জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও মজুত করা হয়েছে, পাম্প বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পুরো প্রতিনিধিদের সঙ্গে বুধবারই কথা বলে নিয়েছে পুলিশ, বলে জানান এক পুলিশকর্তা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশ এসেছে গিয়েছে ট্রাফিক কার্ডগুলিকে খেলার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে। যাতে ঝড়ের প্রভাব পড়ার পর পুলিশি সংযোগ ব্যবস্থায় কোন ত্রুটি না থাকে। তড়িঘড়ি বাসের কাঁঠাল এবং বড় বড় হোল্ডিং খুলে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফ থেকে। সাধারণ মানুষের জন্য থাকছে চারটি হেল্পলাইন নম্বর।

