রাতদিন ওয়েবডেস্ক : শ্রীময়ীর সঙ্গে বিয়ের বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই বাড়িতে কালীপুজো করেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। এই বিষয়ে শ্রীময়ী বলেছেন, " প্রথমে আমরা কালী পুজোর দিন খরাজদার বাড়ি যেতাম। তারপর কাঞ্চন পুজো শুরু করল। বিয়ের আগে থেকেই কাঞ্চনকে পুজোর কাজে সাহায্য করতাম। " কিন্তু সেই সময় পুজোর কোনো ছবি সমাজ মাধ্যমে দিতেন না শ্রীময়ী। এ বিষয়ে আরো বলেছেন তিনি, " তখন একটা ছবি দিলেই পুজো ছেড়ে আমাদের সম্পর্ক নিয়ে শুরু হতো চর্চা। লোকে আমাদের দেবদেবীরূপে বসিয়ে দিত। কিংবা রাক্ষস রাক্ষসী ভেবে সমালোচনা করত। " বিয়ের পর এ বছর তাদের একসাথে প্রথম কালী পূজা। এদিন প্রতিমার জন্য গহনা কিনবেন বলে জানিয়েছেন শ্রীময়ী। কিন্তু এবছর পূজোয় থাকবে না কোন এলাহী আয়োজন। কারণ অভিনেতা কাঞ্চন ব্যস্ত আছেন ধারাবাহিকের শুটিংয়ে এবং তাদের এক খুব নিকট আত্মীয়র অত্যন্ত শরীর খারাপ থাকায় পুজো হবে ছোট করে।
এ বিষয়ে শ্রীময়ীর বক্তব্য, " ছোট করে হলেও পুজো করি নিষ্ঠা ভরে। আমিও কাঞ্চন দুজনেই নির্জলা উপোস করি। ভোগের যাবতীয় রান্না আমি নিজেই করি। ইতিমধ্যে মায়ের শাড়ি গয়না কিনে ফেলেছি। আসলে কাঞ্চন আমি দুজনেই ঈশ্বরবিশ্বাসী। ছোটবেলা থেকেই বাড়ির পুজোপাঠ দেখে বড় হয়েছি। তাই বিয়ের পর এগুলো বাড়তি দায়িত্ব মনে হয়নি। বরং আনন্দ সহকারে করি। " যদিও কিছু বছর আগে এই পুজো বন্ধ করে দেন কাঞ্চন। তার কারণ হিসেবে শ্রীময়ী বলেছেন,, " বেশ কয়েক বছর আগে কালীপুজোর রাতেই কাঞ্চনের মায়ের গায়ে আগুন ধরে যায়। তারপরই পুজো বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু আমিই জোর করি। এত বড় দায়িত্ব,কালীপুজো মুখের কথা নয়। আমি আশ্বস্ত করতেই ফের ভরসা পায়। আমি বললাম মা পুজো চাইছেন। ২০১১ সাল থেকে ফের শুরু হলো পুজো। এটা তৃতীয় বর্ষ। " এর সাথে তিনি জানান প্রতিবছরই কালীপুজোর দিন মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে যান কাঞ্চন। এ বছর যাওয়া হবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

