রাতদিন ওয়েবডেস্ক : অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপের হাই ভোল্টেজ সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ভারত এবং আফগানিস্তান। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতের সামনে এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ নিজেদের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং আফগান স্পিন বিষ সামলানো, চলমান অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপে ভারত সেমিফাইনালে পৌঁছালেও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে চিন্তার ভাঁজ রয়ে গেছে টিম ম্যানেজমেন্টের কপালে। গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোতে ভারতের পারফরম্যান্সে অনেকটা রোলার কোস্টার রাইড দেখা গেছে।
বিশেষ করে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের কাছে হার ভারতের ব্যাটিং ও বোলিংয়ের দুর্বলতাগুলো প্রকট করে তুলেছে, ধারাবাহিকতার অভাব, ভারতীয় শিবিরের সবথেকে বড় মাথাব্যথার কারণ হলো ধারাবাহিকতার অভাব। গ্রুপ পর্বে ভারত বড় ব্যবধানে জিতলেও, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চাপের মুখে ব্যাটিং ধসে পড়ার প্রবণতা দেখা গেছে, ব্যাটিং ব্যর্থতা টপ অর্ডার রান পেলেও মিডল অর্ডারে স্থায়িত্বের অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বোলিং ইউনিট পেসাররা শুরুতে উইকেট নিলেও মাঝের ওভারগুলোতে রান আটকানো এবং উইকেট বের করার ক্ষেত্রে খামতি থেকে যাচ্ছে। আফগান স্পিন ত্রাস ও বৈভবের লড়াই আফগানিস্তান ক্রিকেটের মূল শক্তিই হলো তাদের বিশ্বমানের স্পিন আক্রমণ।
অনূর্ধ্ব ১৯ পর্যায়েও তার ব্যতিক্রম নয়। ভারত অধিনায়ক বৈভব সূর্যবংশী এবং বাকি ব্যাটারদের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ হবে আফগান স্পিনারদের সামলানো। টার্নিং ট্র্যাক শারজাহ বা দুবাইয়ের পিচগুলো সাধারণত স্পিনারদের সহায়ক হয়। সেখানে আফগান স্পিনাররা বল হাতে ভেলকি দেখাতে পারেন। বৈভবের ভূমিকা তরুণ তুর্কি বৈভব সূর্যবংশী এই টুর্নামেন্টে মারকুটে মেজাজে থাকলেও, আফগান স্পিনারদের বিরুদ্ধে তিনি কতটা ধৈর্য ধরে খেলতে পারেন, তার ওপর নির্ভর করবে ভারতের স্কোরবোর্ড, আফগানিস্তানকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই অতীতের পরিসংখ্যান ভারতের পক্ষে থাকলেও, বর্তমান ক্রিকেটে আফগানিস্তানের ছোটরা যে কোনো বড় দলকে হারিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। তাদের ফিল্ডিং এবং লড়াকু মানসিকতা ভারতকে চাপে ফেলতে পারে।
বিশেষ করে নক আউট ম্যাচে স্নায়ুর লড়াইয়ে যারা এগিয়ে থাকবে, জয় তাদেরই হবে। ভারত বৈভব সূর্যবংশী, আয়ুশ মাত্রে এবং সি পতিদার।আফগানিস্তান তাদের রহস্যময় স্পিনাররা এবং ওপেনিং জুটি। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ভারত যদি তাদের মানসিক জড়তা কাটিয়ে উঠতে পারে এবং স্পিনের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক কিন্তু নিয়ন্ত্রিত ক্রিকেট খেলতে পারে, তবেই ডিফেন্ডিং ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ভারত যদি তাদের মানসিক জড়তা কাটিয়ে উঠতে পারে এবং স্পিনের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক কিন্তু নিয়ন্ত্রিত ক্রিকেট খেলতে পারে, তবেই ডিফেন্ডিং।

