রাতদিন ওয়েবডেস্ক: বর্তমান আইন সংশোধনে পরিবেশ দূষণ করলে শাস্তির পরিবর্তে জরিমানার নিয়ম করা হয়েছে দিল্লিতে । সেই কারনেই পরিবেশ সংক্রান্ত আইন কোথাও গিয়ে ক্ষুন্ন হচ্ছে।পরবর্তীকালে দূষণ মাত্রা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা শীর্ষ আদালতের। এতে দিল্লির বাতাসের গুণগত মান হ্রাস পাবে। সুপ্রিমকোর্ট মনে করছেন দিল্লির প্রতিবেশী রাজ্যগুলির শস্য পোড়ানোর জন্যই এই দূষণের প্রভাব পড়ছে অঞ্চলে।শীর্ষ আদালত প্রশ্ন তুলছে দিল্লির প্রতিবেশী দুই রাজ্য পাঞ্জাব ও হরিয়ানার সরকারের বিরুদ্ধে। পরিবেশ দূষণের বিষয় নিয়ে সুপ্রিমকোর্টে বুধবার একটি মামলা রায়ের শুনানি ছিল।
১৫ নং সংশোধনির ধারাগুলি নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে তিন বিচারপতির বেঞ্চে। পরিবেশ আইন অমান্য করলে কি শাস্তি হবে তা উল্লেখ করা আছে এই ধারায়।এ ছাড়াও জরিমানার আইনটি সঠিকভাবে এগোচ্ছে না বলেও ধারণা সুপ্রিমকোর্টের। এই মামলায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রের সলিসেটর জেনারেল ঐস্বর্য ভাটি, তিনি বলেন আগত দশদিনের মধ্যে চূড়ান্ত আইন কার্যকর হয়ে যাবে। কেন্দ্রের আইনজীবীর উদ্দ্যেশে তিন বিচারপতির বেঞ্চ বলেন,যদি পরিবেশ রক্ষার জন্য কেন্দ্রের সত্যিই তাগিদ থাকতো তাহলে এতদিনে কাজ গুলি হয়ে যেত। এসব রাজনীতি ছাড়া আর কিছুই নয়।দিল্লির বায়ুদূষণ অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে এটি নতুন কিছুই নয়।শস্যর গোড়া পোড়ানো রুখতে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ তা নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট পরামর্শ দেয় পাঞ্জাব ও হরিয়ানাকে। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ যদিও লোক ছাড়া আর কিছুই নয়। এর আগেও আইন ভঙ্গকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুই রাজ্য সরকার কোনো ভূমিকা পালন করেননি তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আদালত গুলি।

