রাতদিন ওয়েবডেস্ক : সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড বদলাতে সময় লাগে না। কখনও ঘিবলি-স্টাইলের ছবি, কখনও বার্ধক্যের এআই ভার্সন, আবার কখনও নির্দিষ্ট পোশাকে থিমভিত্তিক ফটো ফেসবুকের দেওয়ালে নতুন ঝড় ওঠে মাঝেমধ্যেই। বর্তমানে সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে কর্মক্ষেত্রভিত্তিক এআই ক্যারিকেচার। ব্যবহারকারীরা নিজেদের পেশাকে কেন্দ্র করে মজার, রঙিন ও অতিরঞ্জিত কার্টুন-ছবি বানিয়ে শেয়ার করছেন। ফলে ফেসবুক ফিড এখন এমন ছবিতে ভরে উঠেছে।অনেকেই ইতিমধ্যেই এই নতুন ট্রেন্ডে অংশ নিয়েছেন। তবে অনেক ব্যবহারকারী বুঝে উঠতে পারছেন না, ঠিক কীভাবে এমন ক্যারিকেচার তৈরি করা সম্ভব।
আসলে প্রক্রিয়াটি খুব জটিল নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর চ্যাটবটের সাহায্যেই কয়েকটি সহজ ধাপে তৈরি করা যায় নিজের পেশাভিত্তিক কার্টুন-ছবি।প্রথমে ChatGPT খুলতে হবে। এরপর ছবি আপলোডের অপশন থেকে নিজের একটি পরিষ্কার ছবি যুক্ত করতে হবে। সাধারণত স্ক্রিনের বামদিকে নিচে থাকা ‘+’ চিহ্নে ক্লিক করলেই ছবি আপলোড করা যায়। তারপর একটি স্পষ্ট নির্দেশ বা ‘প্রম্পট’ লিখতে হবে। যেমন “Create a caricature of me and my job based on everything you know about me.” অর্থাৎ, ব্যবহারকারীর পরিচিতি ও পেশার ভিত্তিতে একটি ক্যারিকেচার তৈরি করতে বলা।প্রম্পট দেওয়ার পর চ্যাটবট সাধারণত ব্যবহারকারীর পেশা সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে চাইতে পারে। সে ক্ষেত্রে নিজের কাজের ধরন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে যেমন শিক্ষক, চিকিৎসক, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক বা অন্য কোনও পেশা।
চাইলে কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ, পোশাক বা বিশেষ বৈশিষ্ট্যও উল্লেখ করা যেতে পারে। নির্দেশ যত নির্দিষ্ট হবে, তৈরি হওয়া ছবিও তত বেশি ব্যক্তিগত ও নিখুঁত হবে।এরপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সেই তথ্যের ভিত্তিতে একটি ক্যারিকেচার বা কার্টুনধর্মী ছবি তৈরি করে দেবে। চাইলে ছবির ভঙ্গি, পটভূমি বা স্টাইল নিয়েও আলাদা নির্দেশ দেওয়া সম্ভব।প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে এ ধরনের সৃজনশীল ট্রেন্ড দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ব্যক্তিগত ছবি বা তথ্য শেয়ার করার আগে গোপনীয়তার বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত। সচেতনতা বজায় রেখে প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার করলে এমন ট্রেন্ডে অংশ নেওয়াও হতে পারে আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা।

